1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
কোদাল দিয়ে মাটি কেটে পাতলী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বার কাউন্সিলের এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা থানায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে ১১ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত টেকনাফ দোয়েলকার মালিক সমিতির সেক্রেটারী শহিদ ৮ হাজার ইয়াবাসহ আটক জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন নেই, প্রতারণার বাজেট: এনসিপি চট্রগ্রামে ১০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা আটক: উখিয়ার বক্তার মেম্বারের বিরুদ্ধে গুরুত্বর অভিযোগ জামায়াত ও আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে অর্ধশত গাছ কাটার অভিযোগ ৪১০ লিটার মদ তৈরির উপকরণসহ ব্রাজিল সমর্থক গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী কান্না সহ্য করতে না পেরে দুই মাসের শিশুকে আছাড় দিয়ে মেরে ফেলেন বাবা

“শাহজাহান চৌধুরী উখিয়া-টেকনাফের রাজনীতির এক উজ্জ্বল নক্ষত্র” – আরফাত চৌধুরী

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৭/০৭/২০২৫ ৩:১৬ পিএম

 রাজনীতিতে বহু ব্যক্তিত্ব এসেছেন, কেউ রাজনীতির পাশাপাশি ব্যবসা বেছে নিয়েছেন, কেউবা জনপ্রিয়তার পেছনে বিতর্ককে সঙ্গী করেছেন। তবে দক্ষিণ চট্টগ্রামের রাজনীতিতে এক ব্যতিক্রমী নাম— শাহজাহান চৌধুরী। তিনি শুধুই একজন রাজনীতিবিদ নন, একাধারে একজন সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী এবং ত্যাগের প্রতীক।

মাত্র ২৮ বছর বয়সেই তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদাসম্পন্ন হুইপের দায়িত্ব, এবং ২০০১ সালে ছিলেন গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। এ অর্জন একদিকে যেমন রাজনৈতিক দূরদর্শিতার পরিচায়ক, তেমনি প্রমাণ করে তাঁর নেতৃত্বের প্রতি দল ও জনগণের আস্থা।
শাহজাহান চৌধুরীর জন্ম এক ঐতিহ্যবাহী জমিদার ও রাজনৈতিক পরিবারে। তাঁর দাদা মুকবুল আহমদ সিকদার রাজনীতির প্রতি ভালোবাসার নিদর্শন হিসেবে উখিয়া স্টেশনের মূল্যবান জমি লিখে দিয়েছিলেন বড় নাতি শাহজাহান চৌধুরীর নামে, যেন রাজনীতিতে টাকার প্রয়োজন হলে তা কাজে আসে। পিতা কাশেম মিয়াও ছিলেন একজন সম্মানিত জমিদার ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

তিনি একবার চেয়ারম্যান এবং চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিস্ময়করভাবে, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনো কোনো দুর্নীতির অভিযোগ উঠেনি। এ এক বিরল দৃষ্টান্ত। তাঁর পরিবার উখিয়ার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কবরস্থান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য যে জমিদান করেছেন, তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

উখিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, রাজাপালং ফাজিল মাদ্রাসা, উখিয়া থানা—এসব স্থাপনায় চৌধুরী পরিবারের অবদান অনস্বীকার্য। উখিয়া কলেজ এবং টেকনাফ সরকারি কলেজের প্রতিষ্ঠায় তাঁর অগ্রণী ভূমিকা ছিল, অথচ তিনি কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজের নামে করেননি—এমন উদাহরণ বাংলাদেশে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।

শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে শাহজাহান চৌধুরীর ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাঁর হাত ধরেই উখিয়া-টেকনাফের গ্রামে-গঞ্জে গড়ে উঠেছে অসংখ্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়। তিনি ছিলেন উন্নয়নের নীরব কারিগর।

আজ কিছু রাজনীতিবিদ কিংবা সাংবাদিক তাঁর বিরুদ্ধে যতই অপপ্রচার চালাক না কেন, তাতে ইতিহাসের সত্য মুছে যাবে না। তিনি উখিয়া-টেকনাফের রাজনীতির “প্রশান্ত মহাসাগর”—যেখানে ঢিল ছুঁড়ে ঢেউ তোলা যায় না।

এ কথা মনে রাখা জরুরি—শাহজাহান চৌধুরী একজন নন, উখিয়া-টেকনাফের প্রতিটি ঘরে ঘরে তাঁর মতো হাজারো সাহসী হৃদয় তৈরি হয়েছে।
বেগম খালেদা জিয়ার আশীর্বাদপুষ্ট এই রাজনীতিবিদের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com