1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব ওরে নিয়ে আমি একবারই এসেছি: জামায়াতের ভাইরাল এমপি নজরুল নারীর সঙ্গে সেই ভাইরাল ভিডিও: জামায়াত এমপি বললেন তাকে ব্ল্যাকমেইল ও চরিত্রহননের চেষ্টা করা হয়েছে টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর ৩ সদস্য আটক সবুজায়নের বার্তা: এমপি শাহজাহান চৌধুরীর উপস্থিতিতে উখিয়া কলেজে বৃক্ষরোপণ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মোজাফফর খালি পায়ের শিশু আফিফার আর্তিতে মমতার হাত বাড়ালেন ইউএনও পান্না আক্তার মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতকে বাংলাদেশের চিঠি

বোনের পাশে শায়িত হলো ছোট্ট নাফি, শোকে স্তব্ধ মা-বাবা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৪/০৭/২০২৫ ৭:৫৩ এএম

১৩ বছর আগে অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য আশরাফুল ইসলাম ও তাহমিনা দম্পতির কোল আলো করে পৃথিবীতে এসেছিল নাজিয়া তাবাসসুম নিঝুম। নিঝুমের জন্মের চার বছর পর কোলজুড়ে আসে ছেলে আরিয়ান আশরাফ নাফি (৯)।

কিন্তু গত সোমবার (২১ জুলাই) মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তে আহত হওয়ার পর নাজিয়া ও তার ভাই নাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেদিনই রাত ৩টার দিকে মারা যায় নাজিয়া। আর মৃত্যুর সঙ্গে লড়তে থাকে তার ছোট ভাই নাফি। বোনের একদিন পর মঙ্গলবার দিনগত রাত ১২টার দিকে নাফিও পাড়ি জমায় না ফেরার দেশে।
নাজিয়াকে দাফনের মাত্র একদিন পরেই তাদের বাবা-মা নাফিকে দাফন করেন। নাজিয়ার ছোট ভাইকে তার পাশেই দাফন করা হয়। বুধবার এ দাফন সম্পন্ন হয়। রাজধানীর উত্তরার কামারপাড়ার এক কবরস্থানে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে। দুই সন্তানের মৃত্যুতে নিঃসন্তান হয়ে গেলেন নীরব-তাহমিনা দম্পতি।

যে ছেলে-মেয়েকে নিয়ে দিনরাত সময় কেটেছে বাবা-মায়ের, আজ তারা নিঃস্ব। পৃথিবীর সবচেয়ে নিঃসঙ্গ মানুষ। যেন কেউ নেই তাদের সঙ্গে। শোকে পাথর পুরো পরিবার। সোমবার থেকে অনবরত চোখের পানি ঝরছে বাবা-মায়ের।
জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, ‘উত্তরা বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ নাজিয়ার শরীরের ৯০ শতাংশ বার্ন হয়েছিল। আর নাফির শরীরের ৯৫ শতাংশ ফ্লেম বার্ন ছিল।’

নাজিয়া-নাফির বাবা-মায়ের ইচ্ছা ছিল ছেলে-মেয়েকে ভালো স্কুলে পড়িয়ে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার বানাবেন। ভর্তি করেছিলেন বাসার কাছাকাছি উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে। নাজিয়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে আর নাফি পড়তো ইংলিশ ভার্সনে দ্বিতীয় শ্রেণিতে।

নাজিয়া-নাফির দাদা বাড়ি ভোলার দৌলতখান উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের দক্ষিণ জয়নগর গ্রামেও চলছে শোকের মাতম। নাফির চাচা মো. হাসান বলেন, বিমান দুর্ঘটনায় আমার ভাই-ভাবি নিঃসন্তান হয়ে গেলেন। নাজিয়া ও নাফি দুজনই অনেক মেধাবী ছিল। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে নাজিয়াকে উত্তরার কামারপাড়ার এক কবরস্থানে দাফন করা হয়। রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে তার ছোট ভাই নাফি। পরবর্তীতে বুধবার দুপুরে নাফিকে তার বোনের পাশে একই কবরস্থানে দাফন করা হয়ে। একই সঙ্গে দুই সন্তান হারিয়ে আমাদের পুরো পরিবার শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com