1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
কক্সবাজারে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় সেই রাজুর ৩ দিনের রিমান্ড ছাত্রলীগের কমিটিতে জামায়াত নেতার ছেলের নাম, বললেন ‘আগে জানলে ত্যাজ্য করতাম’ রাষ্ট্রপতির সহকারী প্রেস সচিব হলেন কাজী রাকিব রোহিঙ্গাদের ৪৬ কোটি পাউন্ডেরও বেশি সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক চলতি অর্থবছরে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন হবে: ইসি মাছউদ টেকনাফে একনলা বন্দুকসহ ‘ডাকাত’ করিম আটক কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে হচ্ছে কমিটি, নেতৃত্বে থাকবেন ইউএনও-ওসি জুলাইকে ধারণ করে না তাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে অনুপস্থিত বিরোধীদলীয় নেতা: প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মালদ্বীপ থেকে আসা দুই যাত্রীর পায়ুপথে মিলল ৬ ‘স্বর্ণের ডিম’

শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সর্বোচ্চ শাস্তি না হলে শহীদদের প্রতি অবিচার হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৩/১০/২০২৫ ৩:০৩ পিএম

শেখ হাসিনাসহ অন্য আসামিদের শাস্তি দিতে না পারলে শহীদ ও আহতদের প্রতি অবিচার করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় জুলাই হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে করা মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের পর সমাপনী বক্তব্যে বৃহস্পতিবার এসব কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, এই আসামিদের হাতে দেশের নিরাপরাধ মানুষ গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যাবে, ৫ বছরের শিশু মারা যাবে, পানি বিতরণ করতে গিয়ে মুগ্ধ মারা যাবে, বুক চিতিয়ে আবার রাজপথে দাড়িয়ে আবু সাঈদরা মারা যাবে; আমরা যদি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে না পারি, এই দুইজনের বিচার ব্যাহত হয়, তাদের যদি শাস্তি না হয়- তাহলে দেশের মানুষ ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে একটি ভীরু-কাপুরুষের উপমা হয়ে রয়ে যাবে।

তিনি বলেন, বিচার যত কঠিনই হোক, যত বাধার প্রাচীর থাকুক, তা ভেঙে যদি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব না হয়, তাহলে আমরা জাতি হিসেবে আগামী দিনে এগোতে পারবো না। এই আসামিদের মৃত্যুদণ্ড হওয়া, কার্যকর করা, মৃত্যৃদণ্ডের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা একটি বড় ঘটনা হিসেবে অনেকেই দেখবেন। কিন্তু এই আসামিদের যদি শাস্তি নিশ্চিত করত না পারি, তাহলে তাদের হাতে বাংলাদেশের অসংখ্য-অগণিত জীবন বিপন্ন হবে।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ন্যায়বিচারের সাক্ষী হতে এসেছি। ১ হাজার ৪০০ লোক মারা গেছে। ৩০ হাজার পঙ্গুত্ব বরণ করেছে। রাষ্ট্রপক্ষ দেখিয়েছে কে নির্দেশ দিয়েছে, কাকে দিয়েছে, কে পালন করেছে, কীভাবে বাস্তবায়ন হয়েছে। এই খুনের পর গোটা জাতি জেগে উঠেছে। অপরাধীরা পালিয়ে গেছে। তারা বিচার প্রতিহত করতে নানান রকম নির্দেশনা দিচ্ছে। আমাদের বক্তব্য হচ্ছে প্রসিকিউশন সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। যে সাক্ষ্য-প্রমাণ এসেছে তা যে কোনো দেশে, যে কোনো আদালতে উপস্থাপন করলে আসামিদের সাজা ছাড়া বিকল্প থাকবে না।

এ সময় তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিভিন্ন উদাহরণ তুল ধরেন। তিনি বলেন, এটা দিবালোকের ন্যায় সত্য যে এখানে গণহত্যার মতো ঘটনা ঘটেছে। এখানে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। কারা ঘটিয়েছে, কীভাবে ঘটিয়েছে তা আমরা প্রমাণ করেছি। আমরা মনে করি এই আদালতে যদি আসামিদের শাস্তি না হয় তাহলে এ দেশের খুন হওয়া মানুষ, পঙ্গুত্ব বরণ করা মানুষ, এই রাষ্ট্র ব্যবস্থা অবিচারের শিকার হবে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com