
কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মিয়ানমারের আরাকান আর্মির জন্য পাচারকালে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্রের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মিনি পিকআপসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে রামু থানা পুলিশ।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ২টার দিকে রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের চা বাগান-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের মাথায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন— নাইক্ষংছড়ি সদর ইউনিয়নের কম্বনিয়া গ্রামের নুরুল আলমের পুত্র মো. শাহজাহান (২৫), একই ইউনিয়নের আশারতলী গ্রামের বদিউজ্জামানের পুত্র মো. ইলিয়াছ এবং একই ইউনিয়নের ঘিলাতলী এলাকার এম. এ. সামাদের পুত্র আতিকুর রহমান (২৫)।
পুলিশ জানায়, মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর (আরাকান আর্মি) জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের সরঞ্জাম নিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি রামু হয়ে নাইক্ষংছড়ির দিকে যাচ্ছিল, এমন তথ্যের ভিত্তিতেই রামুর জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের চা বাগান-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের মাথায় অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে রামু থানা পুলিশ।
এ সময় চেকপোস্ট অতিক্রমকালে একটি মিনি ট্রাক থামার সংকেত দিলে গাড়ির চালক পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করে। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে ৩২টি সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে মোট ১ হাজার ৬০০ পিস বাউন্ডলি (ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের ম্যাগাজিন রাখার প্রসেস) উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছে- এসব বাউন্ডলি মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে সরবরাহের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল।
রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়া জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ও অজ্ঞাতনামা আসামিরা সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে অস্ত্র সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে বাংলাদেশের জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল। এ ঘটনায় রামু থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।
Cox's Bazar Office: Main Road, Kolatli, Cox's Bazar, Bangladesh.
Ukhia Office: Main Road, Ukhia, Cox's Bazar, Bangladesh.
Email: shimantoshohor@gmail.com
© 2025 Shimantoshohor.com. All rights reserved.