1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
টেকনাফে বিদেশী রাইফেল ও ৩২৭ রাউন্ড গুলিসহ নারী আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিদর্শন কালে ওড়না ও চুল পেঁচিয়ে নারী প্রকৌশলীর মৃত্যু ‘অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী’ জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে ভালো স্থানীয় নির্বাচন করতে চাই: প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ ও সমালোচনার অধিকার সবার: আইনমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে সরকার উখিয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচন ৮ সেপ্টেম্বর, তফসিল ঘোষণা আইফোনের কিস্তির চাপে যমুনায় ঝাঁপ দিলেন নৃত্যশিল্পী রোহিঙ্গা সংকটের দায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সম্মিলিতভাবে নিতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ কমিটমেন্টের সফল বাস্তবায়ন হবে: প্রেস সচিব

১৪ বছর ব্যাংকে চাকরির পর এখন ফুটপাতে করছেন ভিক্ষা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০১/০৯/২০২৫ ৬:১০ পিএম

ভারতের তথ্যপ্রযুক্তির রাজধানী খ্যাত বেঙ্গালুরু। ব্যস্ত এক মোড়ে ছুটে চলা মানুষের ভিড়ের মাঝেই দেখা মিলল এক প্রাক্তন ব্যাংক কর্মীর। পাশে রাখা একটি ব্যাকপ্যাক, হাতে একটি চিরকুট। তাতে লেখা- ১৪ বছর ধরে ব্যাংকে চাকরি করার পর এখন বেকার আমি, থাকার জায়গাও নেই। চাই সাহায্য। তার পাশে একটি ছোট কাগজে কিউআর কোড ছিল, সম্ভবত ডিজিটাল অনুদানের জন্য।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়।

এই হৃদয়বিদারক দৃশ্যের ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম রেডিটে শেয়ার করেন এক ব্যবহারকারী। তিনি লেখেন, বেঙ্গালুরুর এক সিগন্যালে এই মানুষটির সঙ্গে দেখা হলো। বিষয়টি যতই হৃদয়বিদারক হোক, আমি ভাবছি, এটা কি সমাজের ব্যর্থতা, নাকি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ফলে পাওয়া দুর্ভাগ্য?

রেডিটের ওই পোস্টটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং ব্যবহারকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ সহানুভূতি প্রকাশ করেন, আবার কেউ সমালোচনা করেন। বলেন, এটা কি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ফল, নাকি গোটা সমাজ ব্যবস্থার ব্যর্থতা?

একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, আমাদের দেশের কঠিন বাস্তবতা হলো, আমরা কলেজ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের ১%-এর জন্যও চাকরি দিতে পারি না।

আরেকজন মন্তব্য করেছেন, তিনি কি শারীরিকভাবে অক্ষম? যদি তাই হয়, তার প্রতি আমার সহানুভূতি। যদি না হন, তবে বেঙ্গালুরুর মতো শহরে একজন তরুণ মানুষের ভিক্ষা চাওয়ার কোনো অজুহাত থাকতে পারে না। এখানে কাজের অভাব নেই, যদি কাজ করার ইচ্ছা থাকে। হয়তো খুব বেশি বেতনের চাকরি নাও হবে, কিন্তু একজন মানুষের বেঁচে থাকার মতো উপার্জন সম্ভব। হ্যাঁ, জীবন কঠিন এবং অনেক সময় অবিচারও করে, কিন্তু দাঁড়িয়ে লড়াই করতে হবে। অন্য কেউ এসে সাহায্য করবে না।

তবে, আরেকজন ভিন্ন মত দিয়েছেন। তার মন্তব্যটি ছিল, তিনি যদি শারীরিকভাবে সক্ষম হন তাহলে ডেলিভারি বা ড্রাইভিংয়ের মতো কাজ করতে পারেন। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দীর্ঘদিন বেকার থাকলে মানুষ মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে, বিষণ্ণতায় ভোগে। সেটিও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com