1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
মিয়ানমারের নতুন বাস্তবতায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মধ্যস্থতা করবে চীন জামায়াতের মতো মোনাফেক দল পৃথিবীতে আর জন্ম হয়নি : ফজলুর রহমান তারেক রহমান নাটক কম করেন প্রিয়, গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যেতে বাধ্য হবো: নাহিদ ইসলাম চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক কেউ বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না: মির্জা ফখরুল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপজয়ীরা পাবেন ‘চ্যাম্পিয়নশিপ রিং’ কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে আজ থেকে বিএনপি নেতার সহযোগিতায় গণ-সুন্নতে খতনা ​পাহাড় কেটে মাটি পাচার করলেন জামায়াত নেতা, ঝুঁকিতে রোহিঙ্গাদের বসতি তাবিজের কথা বলে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার মুছে ফেলেছিলেন আসল পরিচয়, একটি ভুলই তার ছদ্মবেশের অবসান ঘটে জিয়ার খুনি মোজাফফরের

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সিএনজি চলাচলে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি

✍️ উখিয়া নিউজ •

প্রকাশিত: ২৮/১০/২০২৫ ১২:৩৪ পিএম

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে সিএনজি চলাচলে ভয়াবহ অনিয়ম ও দুর্নীতি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আরআরআরসি কর্তৃপক্ষ সীমিতসংখ্যক সিএনজি চলাচলের অনুমতি দিলেও বাস্তবে শতাধিক সিএনজি অনুমতিহীনভাবে ক্যাম্পের ভেতরে চলছে, যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। ২০২২ সালের ২৭ জুলাই বিভাগীয় কমিশনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত “বল প্রয়োগে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত নির্বাহী কমিটির” ১৯তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি ক্যাম্পে মাত্র ৫৬টি সিএনজি/অটোরিকশা চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু মাঠপর্যায়ে দেখা গেছে, ৮ ও ১৪ এপিবিএন-এর আওতাধীন বিভিন্ন ক্যাম্পে ১৩০টিরও বেশি সিএনজি অবৈধভাবে চলাচল করছে এবং এসব সিএনজি চালাতে মাসিক ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হচ্ছে বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।

 

তথ্যে জানা যায়, ক্যাম্পের ভেতরে অনেক রোহিঙ্গা অবৈধভাবে সিএনজি ক্রয় করে নিজেরাই ড্রাইভার হিসেবে চালাচ্ছে। এমনকি কিছু বাঙালি নামধারী রোহিঙ্গা যৌথভাবে একাধিক সিএনজি পরিচালনার মাধ্যমে বড় ধরনের অবৈধ ব্যবসা গড়ে তুলেছে। ক্যাম্প-১২ এর আলম ও ইয়াছিন নামে দুই রোহিঙ্গা যৌথভাবে ৯টি সিএনজি পরিচালনা করছে, যার মধ্যে আলমের ৩টি ও ইয়াছিনের ৫টি সিএনজি ক্যাম্প-১১, ১২ ও ১৮ নম্বরে নিয়মিত চলাচল করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আলম স্থানীয় এক বাঙালি নারীকে বিয়ে করে তার পরিচয়ে ক্যাম্পে বসবাস করছে, যদিও তার কোনো বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র নেই।

 

এদিকে ক্যাম্প-১১, ১২ ও ১৮ নম্বরে যেখানে অনুমোদিত সিএনজি সংখ্যা ১১টি, সেখানে চলছে ২৯টি। ক্যাম্প-৯ ও ১০-এ অনুমোদিত ২টির বিপরীতে চলছে ৯টি, আর ক্যাম্প-১৯-এ অনুমোদিত ৩টির বিপরীতে চলছে ৯টি সিএনজি। যার বেশিরভাগই রোহিঙ্গাদের মালিকানাধীন ও রোহিঙ্গাদের দ্বারাই চালিত বলে জানা গেছে। এসব সিএনজি পরিচালনায় জাল অনুমোদনপত্র ব্যবহার, প্রভাবশালীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় এবং মাসিক মাসোহারা বা ঘুষের মাধ্যমে পুরো সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

 

স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করে জানান, অবৈধ সিএনজি চলাচলের ফলে ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতির সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে এক স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বলেন, “যারা অবৈধভাবে ক্যাম্পে সিএনজি চালাচ্ছে, তাদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা। পুলিশের কিছু সদস্য মাসোহারা নিচ্ছে—এটা ওপেন সিক্রেট।”

 

আরআরআরসি দপ্তরের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, “আমরা নির্দিষ্ট সংখ্যক সিএনজির অনুমোদন দিয়েছি। এর বাইরে যা চলছে সবই সম্পূর্ণ অবৈধ। প্রশাসন বিষয়টি জানে, শিগগিরই অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

অভিযোগকারী ও স্থানীয় নাগরিকদের দাবি, সিএনজি চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি, নাহলে ক্যাম্পকেন্দ্রিক অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড আরও বাড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com