টেকনাফে মায়ানমার থেকে প্রবেশকৃত বিশাল মাদক চালান অবৈধভাবে দেশে আনার পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিয়ে ১,৮০,০০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বিজিবি। ঘটনায় প্রধান আসামী জয়নাল আবেদীন (৩৩), পিতা ইমান হোসেন, গ্রাম-খানকার ডেইল, ওয়ার্ড-০৯, টেকনাফ পৌরসভা পলাতক রয়েছে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মায়ানমার থেকে মাদক ‘সাইফুলের ঘের’ নামক ঝোপঝাড় ও জলাবদ্ধ স্থলের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল। নিজস্ব গোয়েন্দা নজরদারির তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক একটি চৌকস দল গঠন করে নিশ্ছিদ্র অভিযান পরিকল্পনা করেন।
২৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখ, আনুমানিক রাত ০১:০০ ঘটিকায় নাজিরপাড়া বিওপি’র দায়িত্বাধীন এলাকায় বিআরএম-৬ থেকে প্রায় ৫০০ গজ উত্তর-পশ্চিমে, ঘন ও গহীন ঝোপঝাড়ের আড়ালে অভিযানিক দল কৌশলগত অবস্থান গ্রহণ করে।
রাত ০২:০০ ঘটিকায়, টহলদলের নজরে আসে ৪/৫ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তি, যারা মায়ানমার সীমান্ত থেকে নাফ নদী হয়ে খাল দিয়ে ঘেরের পানিতে সাঁতার কেটে আসছিল। বিজিবি দল তাদের আত্মসমর্পণের জন্য চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলে মাদক কারবারিরা আতঙ্কিত হয়ে বস্তাগুলো পানিতে ভাসিয়ে দিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামে পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থলে দীর্ঘ সময় ঘিরে রাখার পর বিজিবি বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১,৮০,০০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। যদিও অভিযানে মাদক কারবারিরা পালিয়ে গেছে, বিজিবি’র সতর্ক নজরদারি ও সীমান্ত প্রহরা অভিযানকে সফল করেছে।
পলাতক আসামীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।