1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
জুলাইকে ধারণ করে না তাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে অনুপস্থিত বিরোধীদলীয় নেতা: প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মালদ্বীপ থেকে আসা দুই যাত্রীর পায়ুপথে মিলল ৬ ‘স্বর্ণের ডিম’ প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের খবর ‘অসত্য ও ভিত্তিহীন’: প্রেস কর্মকর্তা প্রবাসীর বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখলেন জামায়াত নেতা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন আমির হামজার মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধে প্রশাসনকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি ড. ইউনূসকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে মরদেহগুলো : ডিএনএ টেস্টে সময় লাগবে ৪ সপ্তাহ

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৪/১১/২০২৫ ১০:২৪ এএম

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। পুলিশের টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী (মাস্টারমাইন্ড)। হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়ে সেই ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়েছে।

৩৭৮ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি আজ রোববার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক মো. লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড এবং অপর ছয় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখে গত ২ জুন রায় দেন বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।

রায়টি বাংলায় লিখেছেন বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, যার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন বেঞ্চের অপর বিচারপতি মো. সগীর হোসেন।

এতে বলা হয়েছে, এটি প্রমাণিত হয়েছে যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি লিয়াকত আলী পূর্বপরিকল্পনামতে ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তার হাতে থাকা সরকারি পিস্তল দিয়ে নিরস্ত্র মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার শরীরের ঊর্ধ্বাংশের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে পরপর চারটি গুলি করেছেন এবং গুলির আঘাতে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও বলা হয়, সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি প্রদীপ কুমার দাশ আলোচ্য হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড, পরিকল্পনাকারী ও ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সে ভিকটিম মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের বুকের বাম পাঁজরে জুতা পরা পা দিয়ে জোরে আঘাত করে তার বুকের দুটি হাড় ভাঙাসহ ভিকটিমের গলার বাম পাশে জুতা পরা পা দিয়ে চেপে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করেছে, যা প্রসিকিউশন পক্ষের সাক্ষীদের সাক্ষ্যসহ ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দিয়ে প্রমাণিত।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় প্রকাশ করেন। এর আগে গত ২ জুন মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় প্রদীপ কুমার দাশ ও লিয়াকত আলীর মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে ৬ আসামির যাবজ্জীবন দণ্ড বহাল রাখেন আদালত। পাশাপাশি প্রত্যেক আসামির ৫০ হাজার টাকার জরিমানার আদেশও বহাল রাখা হয় রায়ে।

যাবজ্জীবন বহাল থাকা আসামিরা হলেন, টেকনাফ থানার সাবেক এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত, কনস্টেবল রুবেল শর্মা, সাগর দেব, কক্সবাজারের বাহারছড়ার মারিশবুনিয়া গ্রামের মো. নুরুল আমিন, মোহাম্মদ আইয়াজ ও মো. নিজাম উদ্দিন।

এই মামলায় গত ২৯ মে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি শেষ হয়।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ৯টায় কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের তৎকালীন কর্মকর্তা পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান। ঘটনার ৫ দিন পর ২০২০ সালের ৫ আগস্ট নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন। ২০২০ সালের ১৩ ডিসেম্বর ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয় র‌্যাব। অভিযোগপত্রে সিনহা হত্যাকাণ্ডকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইল এই মামলায় রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও পরিদর্শক মো. লিয়াকত আলীকে মৃত্যুদণ্ড এবং টেকনাফ থানার এসআই নন্দদুলাল রক্ষিত এবং কনস্টেবল রুবেল শর্মা ও সাগর দেবকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সূত্র: কালবেলা

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com