কক্সবাজারের রামু উপজেলায় এক চাকমা কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ফতেখারকুল ইউনিয়নের শ্রীধনপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সান্টি দেবী চাকমা (মায়া) (১৫) উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের তেলকুলা ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার কেউসিং চাকমার মেয়ে।
পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রীধনপাড়ার বাসিন্দা সাধন বড়ুয়ার তিনতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলার রান্নাঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
রামু থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নিক্সন চৌধুরী ও সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জাহেদ জানান, ঘটনাস্থলে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জানা গেছে, মায়া প্রায় দুই বছর ধরে ওই বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন। হঠাৎ করে তার মৃত্যুকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
নিহতের বাবা কেউসিং চাকমা ও মা অভিযোগ করে বলেন, “আমার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা ফোন করলে মেয়ের সঙ্গে কথা বলতে দিত না। ঘটনার দিনও একাধিকবার ফোন করা হলেও কেউ রিসিভ করেনি।”
অন্যদিকে গৃহকর্তা সাধন বড়ুয়ার স্ত্রী বলেন, “আগামী ১৬ এপ্রিল আমাদের বড় ছেলে শুমঙ্গলের বিয়ে। বিয়ের আয়োজন নিয়ে আমরা ব্যস্ত ছিলাম। আমরা বাসায় না থাকা অবস্থায় মেয়েটি কেন এমন করেছে, তা বলতে পারছি না।”
এ বিষয়ে রামু থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ ফরিদ জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
সূত্র: উখিয়া নিউজ