1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
বাংলাদেশকে নিষিদ্ধ করতে আইসিসিতে চিঠি সাবেক বিসিবি সভাপতির পশুর প্রতি নিষ্ঠুরতার সেই ভিডিও প্রধানমন্ত্রীর নজরে, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ জামায়াত এমপির ঐচ্ছিক অনুদানের তালিকায় মেয়ের নাম মায়ানমারে পাচারকালে সিমেন্ট বোঝাই দুটি বোটসহ ২১ জনকে আটক করেছে নৌবাহিনী রোহিঙ্গা প্রকল্পে পরিকল্পনাহীন ব্যয়, অপচয়ের অভিযোগে ইউএনএইচসিআর ৯৯৯-এ ফোন, উখিয়ায় ভাড়া বাসা থেকে আপত্তিকর অবস্থায় দুই এনজিও কর্মী আটক ৯ বছরেও মিলেনি প্রমাণ, টেকনাফের তাসফিয়া হত্যা মামলার ৬ আসামিকে অব্যাহতি এবার বাধ্যতামূলক হচ্ছে এনআইডি নবায়ন পানির বোতল ভেবে এসিড পান, রামুতে শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু পেকুয়ায় মাছের প্রজেক্ট দখলের চেষ্টা : অস্ত্রসহ দুজন আটক

রোহিঙ্গা প্রকল্পে পরিকল্পনাহীন ব্যয়, অপচয়ের অভিযোগে ইউএনএইচসিআর

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৭/০৬/২০২৬ ১:২৬ পিএম

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) পরিচালিত বাংলাদেশের কয়েকটি রোহিঙ্গা সহায়তা প্রকল্পে অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম এবং ত্রাণ তহবিলের অপব্যবহারের গুরুতর অভিযোগ উঠে এসেছে সংস্থাটির অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষায়।

জাতিসংঘ সদর দপ্তরের অফিস অব ইন্টারনাল ওভারসাইট সার্ভিসেস (OIOS) পরিচালিত নিরীক্ষা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পগুলো যথাযথ পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের অভাবে ইউএনএইচসিআরের মূল লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে বৈশ্বিক অনুদান কমে আসার সময়েও বিপুল অর্থ অপচয় হয়েছে।

২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কাল নিয়ে পরিচালিত এই নিরীক্ষার ফলাফল ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইউএনএইচসিআর একই ধরনের একাধিক প্রকল্পে অর্থ ব্যয় করে বাজেট ছড়িয়ে দিয়েছে। এতে প্রকল্পের পুনরাবৃত্তি, সম্পদের অপচয় এবং তহবিলের অপব্যবহার হয়েছে।

নিরীক্ষায় আরও উঠে আসে, ১০০ জনের বেশি কর্মী নিয়োগ দেওয়া হলেও প্রকৃত সুবিধাভোগী নির্বাচন যথাযথভাবে করা হয়নি। মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার সমস্যা স্পষ্ট থাকলেও পরিবেশগত বিষয়গুলো উপেক্ষা করায় অর্থের অপচয় হয়েছে। সময়মতো স্বাস্থ্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন না করায় রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য পরিস্থিতিরও অবনতি ঘটে।

একটি ঘটনায় দেখা যায়, এক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান মেয়াদোত্তীর্ণ চিকিৎসা সূঁচের (Needle) মেয়াদ পরিবর্তন করে সরবরাহ করেছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের যোগাযোগ কর্মকর্তা শারি নাইজম্যান মঙ্গলবার New Age-কে ই-মেইলে জানান, “ইউএনএইচসিআর সব কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিয়মিত নিরীক্ষা আমাদের কার্যক্রম মূল্যায়ন ও উন্নত করার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।”

তিনি বলেন, এই নিরীক্ষা OIOS-এর নির্ধারিত কর্মপরিকল্পনার অংশ ছিল এবং ২০২৩-২৪ সালের কর্মসূচি পর্যালোচনা করেছে। নিরীক্ষার সুপারিশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মসূচির তদারকি, ব্যয়-সাশ্রয় এবং জবাবদিহিতা আরও জোরদার করা হচ্ছে।

নিরীক্ষায় দেখা গেছে, রোহিঙ্গাদের জন্য নির্মিত বা কেনা বিভিন্ন স্বাস্থ্য অবকাঠামো ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বছরের পর বছর ব্যবহারই করা হয়নি।

উখিয়ায় ১৫ লাখ ডলার ব্যয়ে নির্মিত একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল এবং ভাসানচরে ২০ শয্যার একটি ইনডোর চিকিৎসাকেন্দ্র—যেখানে ১ লাখ ৪০ হাজার ডলারের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও ৭৪ হাজার ৩০১ ডলারের এক্স-রে মেশিন স্থাপন করা হয়েছিল—অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

ভাসানচরে সরকার অবকাঠামো উন্নয়নের দায়িত্বে থাকা সত্ত্বেও ইউএনএইচসিআর ৫ লাখ ২৮ হাজার ৫২৮ ডলারের জ্বালানি প্রকল্প বাস্তবায়ন করে। ফলে সরকার আগে থেকেই সম্পন্ন করা তিনটি সৌরায়ন প্রকল্পের পুনরাবৃত্তি হয় এবং অপ্রয়োজনীয় ২৫ হাজার ডলারের ভোল্টেজ রেগুলেটর স্থাপন করা হয়।

OIOS জানায়, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ কর্মসূচি না থাকায় ২০২৪ সালে তীব্র শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ ও হেপাটাইটিস-সি রোগীর সংখ্যা বেড়ে যায়। একই সময়ে অসংক্রামক রোগও বাড়লেও তা অগ্রাধিকার পায়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মহামারি মোকাবিলার কোনো প্রস্তুতি পরিকল্পনা না থাকায় ২০২৪ সালে ১৭ লাখ তীব্র ডায়রিয়া, ১৯৩টি কলেরা এবং ব্যাপকহারে স্ক্যাবিস ও উকুন সংক্রমণের কার্যকর মোকাবিলা সম্ভব হয়নি।

৩৬ লাখ ডলারের পুষ্টি কর্মসূচিও কার্যকর হয়নি। ৮ লাখ ৫০ হাজার ডলার ব্যয়ে ১২৩ জন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হলেও ১৮ লাখ ২০ হাজার ডলারের রেফারেল কর্মসূচিতে সুবিধাভোগী নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা ছিল না। হাসপাতালের চুক্তি মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল এবং নির্দেশিকাও হালনাগাদ করা হয়নি।

৬০ লাখ ডলারের ওষুধ কর্মসূচিতে ওষুধের ঘাটতি, অতিরিক্ত মজুত এবং মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার মতো সমস্যাও চিহ্নিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মেয়াদ পরিবর্তন করা চিকিৎসা সূঁচ সরবরাহকারী একটি কালো তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানকে ইউএনএইচসিআর ১৮ লাখ ২০ হাজার ডলারের চুক্তি দেয়। এছাড়া কম দরদাতা প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে বেশি দরদাতা প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করায় ৯৭ হাজার ১৩৬ ডলারের ক্ষতি হয়।

২০১৮ সাল থেকে অচল থাকা স্বাস্থ্য তথ্য ব্যবস্থায় (Health Information System) ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৫০ ডলার বিনিয়োগও প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।

৪০০ জনের বেশি কর্মী থাকা সত্ত্বেও ইউএনএইচসিআর প্রকল্প বাস্তবায়নের ৬২ শতাংশ অংশীদার সংস্থার ওপর ছেড়ে দেয়, কিন্তু তাদের সক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়নি। অধিকাংশ স্থানীয় অংশীদার পুরোপুরি ইউএনএইচসিআরের অর্থের ওপর নির্ভরশীল থাকায় ব্যয় বেড়ে ৬১ লাখ ডলারে পৌঁছায়।

ব্যয়-সুবিধা বিশ্লেষণ ছাড়া কেনাকাটা করায় ৬৫ লাখ ডলারের ভ্যাট ছাড়ের সুবিধা ব্যবহার করা যায়নি। পরিকল্পনার অভাবে একই ধরনের পণ্য একাধিকবার কেনা হয়েছে—যার মধ্যে ৪২ লাখ ডলারের আশ্রয়সামগ্রী, প্রায় ১ লাখ ৯৪ হাজার ডলারের সৌর প্রকল্প এবং ৮ লাখ ডলারের ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম রয়েছে।

অংশীদারদের বাজেট যথাযথভাবে পর্যালোচনা না করায় সরকারি কর্মকর্তাদের মাসিক ভাতা হিসেবে ৮৫ হাজার ডলার এবং উৎসব ভাতা হিসেবে ৯৫ হাজার ডলার ব্যয় করা হয়েছে।

২০২৩ সালের শেষ দিকে অতিরিক্ত ৪ লাখ ৩০ হাজার ডলার বরাদ্দ পাওয়ার পর এক সরকারি অংশীদার দ্রুত ব্যয় করতে গিয়ে ক্রয়বিধি লঙ্ঘন করে এবং নিম্নমানের নির্মাণকাজ সম্পন্ন করে।

এছাড়া ১৮ হাজার ডলার সম্মাননা বোর্ড, ২৩ হাজার ডলার কর্মীদের ইউনিফর্ম এবং ২৭ হাজার ডলার তথ্যচিত্র নির্মাণে ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে OIOS।

জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও অংশীদারদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবে একই এলাকায় ১২৮টি পাইপলাইনভিত্তিক পানি সরবরাহ ব্যবস্থা, ৫২টি পাম্পিং স্টেশন এবং ২০ হাজারের বেশি নলকূপ নির্মাণ করা হয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাই মাসের এক পর্যালোচনায় জ্বালানি প্রকল্পে নিম্নমানের কাজ, প্রশিক্ষণের ঘাটতি এবং পাঁচজন তদারকি কর্মকর্তার দুর্বল নজরদারির বিষয়টি উঠে আসে।

আট বছর পরও ইউএনএইচসিআর জরুরি সহায়তা থেকে দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দিকে অগ্রসর হতে পারেনি। মোট তহবিলের ৬৭ শতাংশ তাৎক্ষণিক সহায়তায় ব্যয় হলেও ক্ষমতায়ন ও টেকসই সমাধানে ব্যয় হয়েছে মাত্র ১৭ শতাংশ।

২০২০ সাল থেকে কুতুপালং ট্রানজিট সেন্টার ৩৫ লাখ ডলার ব্যয়ে চালু থাকলেও এর কোনো প্রস্থান পরিকল্পনা নেই।

উখিয়ায় মাথাপিছু দৈনিক ৩০ লিটার পানি সরবরাহ করা হলেও টেকনাফে তা মাত্র ১০ লিটার, যেখানে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ২০ লিটার।

২০ লাখ ডলারের একটি পানি প্রকল্প পরিত্যক্ত হয়ে পরে অন্য কাজে ব্যবহার করা হয় এবং ১৩ লাখ ডলারের আরেকটি প্রকল্প শুধু নকশাগত ত্রুটি সংশোধনেই ব্যয় হয়।

ড্রেনেজ ব্যবস্থা নষ্ট থাকা, হাত ধোয়ার ব্যবস্থা না থাকা এবং সাবান বিতরণে বিলম্বের কারণে স্বাস্থ্যবিধি পরিস্থিতিও অবনতি ঘটে।

হাতির আক্রমণ প্রতিরোধে ২২ লাখ ডলার ব্যয়ে নির্মিত ৯৯টি ওয়াচ টাওয়ার পরে অকার্যকর বলে বিবেচিত হয়। ঘূর্ণিঝড় উপযোগী নকশা না থাকায় ৫৬ হাজার ২৫ ডলারের নির্মাণসামগ্রী নষ্ট হয়।

পরিবহন ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা মূল্যায়ন না করায় ১৬টি ক্যাম্পে ৫২টি কর্মসূচির গাড়ি এবং ২৯ জন চালকের জন্য ৪৮টি প্রশাসনিক গাড়ির যৌক্তিকতা দেখাতে পারেনি ইউএনএইচসিআর। ১০টি গাড়ি দীর্ঘদিন অচল থাকলেও এগুলোর জন্য ৮০ হাজার ডলারের বেশি ভাড়া পরিশোধ করা হয়েছে।

২৪ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলারের এলপিজি কেনা হলেও প্রকৃত প্রয়োজন ছিল ১৮ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার, ফলে ৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে। প্রেসার কুকার ব্যবহারের সুপারিশ বাস্তবায়নে বিলম্ব হওয়ায় আরও প্রায় ২০ লাখ ডলার সাশ্রয়ের সুযোগ হাতছাড়া হয়।

কক্সবাজারে ২ লাখ ৪০ হাজার ডলার ব্যয়ে নির্মিত একটি ইউএনএইচসিআর অফিস ভবন মালিকের অনুমতি ছাড়াই নির্মাণ করা হয়। পরে ভবনে তৃতীয় তলা যোগ করায় ব্যয় বাড়ে। লিজ চুক্তি না থাকায় মালিক ভাড়া বাড়িয়ে দেন। নতুন ভবন পাঁচ মাস খালি পড়ে থাকলেও পুরোনো অফিসের জন্য মাসে ১১ হাজার ডলার ভাড়া দেওয়া হয়।

নির্মাণকাজে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলারের কাজ একটি ঠিকাদারকে দেওয়া হয়, যার দর বাজারদরের তুলনায় ২৬ শতাংশ বেশি ছিল। এতে সম্ভাব্য ৬৫ লাখ ডলারের ক্ষতি হয়েছে। একইভাবে এলপিজি সরবরাহেও সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে একটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করায় ব্যয় বেড়েছে।

জ্বালানি প্রকল্পে বাজারদরের চেয়ে ৩৬ শতাংশ পর্যন্ত বেশি দামে কাজ করানো হয়েছে। এতে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪০ ডলার এবং বৈদ্যুতিক কাজে ১৫ লাখ ডলারের ক্ষতি হয়েছে। বাজার যাচাই ছাড়া চুক্তির দর বাড়ানোর কারণে অতিরিক্ত ২২ লাখ ডলার ব্যয় হয়েছে এবং ঠিকাদার নির্বাচনে স্বার্থের সংঘাতও পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত গুদাম ভাড়া নেওয়ায় ২০২৪ সালে অন্তত ৫ লাখ ২৩ হাজার ৫৮১ ডলার অপ্রয়োজনীয় ব্যয় হয়েছে।

এছাড়া আট বছর ধরে ব্যবহার না হওয়া একটি মোটেলের জন্য বছরে ১ লাখ ২৬ হাজার ডলার ভাড়া দেওয়া হয়েছে, যদিও বছরে মাত্র ৩৬ হাজার ডলারে বিকল্প জায়গা পাওয়া যেত। এতে ১০ লাখ ডলারেরও বেশি অপ্রয়োজনীয় ব্যয় হয়েছে।

শারি নাইজম্যান বলেন, “বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের সহায়তা যেন প্রকৃত প্রয়োজনমতো মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং সর্বোচ্চ মান ও দক্ষতা বজায় থাকে, সে লক্ষ্যে ইউএনএইচসিআর কাজ করে যাচ্ছে।”

বর্তমানে বাংলাদেশে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ ২০১৭ সালে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সামরিক অভিযানের মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আসেন। সুত্র: New Age

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com