1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
টেকনাফে একনলা বন্দুকসহ ‘ডাকাত’ করিম আটক কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে হচ্ছে কমিটি, নেতৃত্বে থাকবেন ইউএনও-ওসি জুলাইকে ধারণ করে না তাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে অনুপস্থিত বিরোধীদলীয় নেতা: প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মালদ্বীপ থেকে আসা দুই যাত্রীর পায়ুপথে মিলল ৬ ‘স্বর্ণের ডিম’ প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের খবর ‘অসত্য ও ভিত্তিহীন’: প্রেস কর্মকর্তা প্রবাসীর বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখলেন জামায়াত নেতা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন আমির হামজার মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধে প্রশাসনকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি ড. ইউনূসকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল

পথ হারালে এই জাদুঘরে এসে পথ খুঁজে নেবো: ড. ইউনূস

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৫/০৮/২০২৬ ৮:৩২ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরকে শুধু ইতিহাস সংরক্ষণের স্থান নয়, বরং নতুন বাংলাদেশ গঠনের অনুপ্রেরণার কেন্দ্র হিসেবে বর্ণনা করেছেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেছেন, পথ হারালে এই জাদুঘরই জাতিকে নতুন পথ দেখাবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশ গঠনের প্রেরণা জোগাবে।

বুধবার (৫ আগস্ট) ঢাকার জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমরা পথ হারিয়ে ফেললে এখানে এসে পথ খুঁজে নেবো। আমাদের চিন্তায় যদি কোনো গাফিলতি আসে, এখান থেকেই তার ঠিকানা খুঁজে আবার নতুন করে যাত্রা শুরু করবো।’

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নানা ধরনের জাদুঘর থাকলেও এ জাদুঘরের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন। কারণ, এখানে বহু বছরের পুরোনো ইতিহাস নয়; গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাগুলো ঘটার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট দলিল, স্মারক, নিদর্শন এবং মানুষের অনুভূতি সংগ্রহ করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

তার ভাষায়, ‘ঘটনা ঘটেছে আর আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সেই ঘটনার প্রতিটি নমুনা ও ইতিহাস সংগ্রহ করে জাদুঘরে নিয়ে এসেছি। এটাই আমাদের ইতিহাস সংরক্ষণের এক নতুন অধ্যায়।

জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণদের আত্মত্যাগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, অনেকেই কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই নিজেদের অনুভূতি লিখে গেছেন। পরিবারের বাধা উপেক্ষা করে কেন তারা রাজপথে নেমেছিলেন, সেটিও চিঠিতে তুলে ধরেছেন। এসব দলিল ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, দেশের প্রতিটি তরুণ যেন সেই চিঠিগুলোর লেখকদের মতো নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে আসে। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, প্রতিটি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী এবং সাধারণ নাগরিক অন্তত একবার এই জাদুঘর পরিদর্শন করবেন। শুধু পরিদর্শন নয়, তারা যেন এখানে বসে নিজেদের স্বপ্ন, প্রত্যাশা ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনাও লিখে রেখে যান।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে এই জাদুঘর শুধু স্মৃতি সংরক্ষণের স্থান নয়, সংস্কৃতি, শিল্প, সংগীত, চিত্রকলা এবং অন্যান্য সৃজনশীল কর্মকাণ্ডেরও একটি প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হবে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com