1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
উখিয়ায় সংসদ সদস্যের নজরদারি ও এসআরবি-১৫’র অভিযানে অপহৃত সিফাত উদ্ধার, অপহরণকারী আটক হ্নীলার রঙ্গিখালী ও বাহারছড়ার বড় ডেইলে সেনা ক্যাম্প নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী ব্যাংকে পড়ে আছে ১৭২ কোটি টাকা, জানেন না মালিক ও উত্তরাধিকারীরা! নাফ নদী থেকে গুলিবিদ্ধ অজ্ঞাত লাশ উদ্ধার জামায়াত-শিবির ও এনসিপিতে প্রতিমন্ত্রী নুরের মতো তেজস্বী নেতা নেই: রাশেদ খাঁন যুক্তরাষ্ট্রে মর্যাদাপূর্ণ অ্যাওয়ার্ড পেলেন ড. ইউনূস, সম্মান জানালেন ৪০০ অতিথি তাজমিনের মৃত্যু :রাজুর বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ডের নির্দেশ আদালতের উখিয়ায় ক্রিকেটার বাছাই করবে বিসিবি এমপি শাহজাহান চৌধুরীসহ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি

বিবাহিত বোনকে ‘বিধবা’, ছেলে-ভাতিজাকে ‘প্রতিবন্ধী’ সাজিয়ে মেম্বারের পরিবারে ৫ ভাতা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১০/০৮/২০২৬ ৭:০৪ পিএম

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. মুনির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ভাতার তালিকায় নজিরবিহীন স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তাঁর পরিবারের অন্তত পাঁচজন সদস্য ভোগ করছেন বিভিন্ন ধরনের সরকারি ভাতা।

জানা গেছে, প্রকৃত অসচ্ছল ও যোগ্য ব্যক্তিদের বঞ্চিত করে বিবাহিত বোনকে বিধবা ভাতা এবং সুস্থ ছেলে ও ভাতিজাকে প্রতিবন্ধী ভাতা পাইয়ে দেওয়ার এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রকৃত দরিদ্র ও অসচ্ছলদের বাদ দিয়ে ইউপি সদস্য নিজের পরিবারের সদস্যদের সরকারি ভাতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মুনির উদ্দিনের বোন সাবরিনা আক্তার পিংকির নামে ব্যবস্থাপনা তথ্য ব্যবস্থা (এমআইএস) নম্বরে নিয়মিত বিধবা ভাতা তোলা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, ২০২২ সালের ১৩ জানুয়ারি তিনি আবু লোকমানকে বিয়ে করেন। বর্তমানে সাবরিনা চট্টগ্রাম সদর রেজিস্ট্রি অফিসে নকলনবিশ হিসেবে কর্মরত। তাঁর স্বামীও একটি ট্রান্সপোর্ট এজেন্সিতে চাকরি করেন।

মুনির উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ আবরার বিন মুনিরের নামেও রয়েছে প্রতিবন্ধী ভাতার এমআইএস নম্বর। স্থানীয়দের দাবি, আবরার সুস্থ এবং ইউনিয়নের একটি হেফজখানায় পড়াশোনা করছেন।

একইভাবে ইউপি সদস্যের বড় ভাই মো. আলম উদ্দিনের ছেলে হাসান বিন আলম সাজিদের নামেও প্রতিবন্ধী ভাতা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সাজিদ রায়পুর এজাহারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার নিয়মিত শিক্ষার্থী এবং ২০২৭ সালে তাঁর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা।

এ ছাড়া মুনির উদ্দিনের বাবা মো. শামসুল আলমের নামে প্রতিবন্ধী ভাতা এবং মা তাহেরা বেগমের নামে বয়স্ক ভাতার কার্ড রয়েছে। সব মিলিয়ে তাঁর পরিবারের পাঁচ সদস্য সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা পাচ্ছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অন্যদিকে প্রকৃত প্রতিবন্ধী হয়েও ভাতা পেতে হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. সেলিম উদ্দিন। তাঁর ১৯ বছর বয়সী বোন সেলিনা আক্তার জন্মগতভাবে বাক্প্রতিবন্ধী। প্রায় পাঁচ বছর আগে সমাজসেবা কার্যালয় থেকে সুবর্ণ কার্ড পেলেও ইউপি সদস্যের বাধায় তিনি ভাতা পাননি বলে অভিযোগ সেলিমের। পরে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করে কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর প্রায় এক বছর আগে তাঁর নাম ভাতার তালিকায় ওঠে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইউপি সদস্য মো. মুনির উদ্দিনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রিজোয়ান উদ্দীন বলেন, নিয়ম অনুযায়ী কোনো নারী বিধবা ভাতা পাওয়ার পর পুনরায় বিয়ে করলে তাঁর ভাতা পাওয়ার সুযোগ নেই। এ ক্ষেত্রে ভাতা বাতিল হওয়ার কথা। ইউপি সদস্যের ছেলে ও ভাতিজার প্রতিবন্ধী ভাতার বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হবে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com