1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার :পেকুয়ায় ২৭ গ্রামীণ সড়ক এইচবিবি ও ইউনিব্লকে উন্নীতের উদ্যোগ টেকনাফের বাহারছড়ায় ৫শ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান জামায়াত নেতা মেজর আখতারুজ্জামান (অব.) গ্রেপ্তার এত সম্পদের উৎস কী? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর ফেসবুক পোস্ট বিএনপির বিতর্কিত নেতাকর্মীদের তালিকা হচ্ছে পবিত্র মসজিদে নববির বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা, সৌদি জোটের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান হুতিদের সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের জন্য তারেক রহমানের কঠোর বার্তা গুপ্ত বাহিনী’ ও ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার হাত মিলিয়ে দেশে অরাজকতার চেষ্টা চালাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী নিঝুমদ্বীপের মানুষকে ‘কুত্তা পাখি, ছাগল পাখি’ বলে পোস্ট, হান্নান মাসউদের স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ শুল্কমুক্ত মদ ‘অবৈধ গুদামে’, সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

গুপ্ত বাহিনী’ ও ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার হাত মিলিয়ে দেশে অরাজকতার চেষ্টা চালাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০২/১০/২০২৬ ১:৪৫ পিএম

ক্ষমতাচ্যুত বিগত সরকারের অনুসারী ও একটি ‘গুপ্ত বাহিনী’ জনগণের কল্যাণে সরকারের কর্মসূচিগুলোকে বাধাগ্রস্ত করতে আবারও হাত মিলিয়েছে এবং দেশে অরাজকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেলে ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ এবং মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন, খাদেম ও মন্দিরের পুরোহিতদের মাঝে সম্মাননা প্রদান শেষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

‘গুপ্ত রাজনীতি’ ও ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার সরকারের রাজনীতির বিরুদ্ধে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা এর সাথে জড়িত, জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে তাদের কোনো কর্মসূচি নেই; বরং তারা কেবল ক্ষমতা দখলের রাজনীতিতেই লিপ্ত।

তারেক রহমান বলেন, ‘সরকারের কর্মসূচিগুলো যদি সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে হয়, তবে আজ আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যারা গুপ্ত রাজনীতি করে, যারা স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার রাজনীতি চর্চা করে এবং যাদের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের কোনো কর্মসূচি নেই, কেবল ক্ষমতা যাওয়ার জন্যই রাজনীতি করে, তাদের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা শুধু রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকেই প্রভাবিত করবে না, বরং মানুষের জীবনযাত্রার উন্নয়নে নেওয়া কর্মসূচিগুলোও ব্যাহত হবে।

উপস্থিত জনগণের উদ্দেশে তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আজ আমি মায়েদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিয়েছি, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, ইমাম-মোয়াজ্জিনদের সম্মাননা এবং দুঃস্থ মানুষদের আর্থিক সহায়তা দিয়েছি। দেশে যদি অরাজকতা দেখা দেয়, তবে কি এই কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করা সম্ভব হবে?’

তারেক রহমান বলেন, জনগণ তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন চাওয়ায় সরকার ধীরে ধীরে কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়ন করছে।

তিনি আরো বলেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্দেশ্য নারীদের নিয়মিত সহায়তা দেওয়া, আর কৃষক কার্ড কর্মসূচির মাধ্যমে ধীরে ধীরে কৃষকদের সার, কীটনাশক ও বীজের মতো কৃষি উপকরণের সহায়তা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘সামাজিকভাবে ও অর্থনৈতিকভাবে এই মানুষগুলো ধীরে ধীরে স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে এবং যখন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ সমৃদ্ধ হবে, তখন বাংলাদেশও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠবে।’

প্রধানমন্ত্রী জানান, সারা দেশে ইতোমধ্যে এক লাখেরও বেশি কৃষক ‘কৃষক কার্ড’ পেয়েছেন।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সাম্প্রতিক ‘এক দফা’ দাবির প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান প্রশ্ন তোলেন- যারা এই ধরনের ডাক দিচ্ছেন, তাদের কি ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, ইমাম-মোয়াজ্জিনদের সম্মাননা প্রদান কিংবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্প্রসারণের মতো কোনো জনকল্যাণমুখী কর্মসূচি রয়েছে?

তিনি প্রশ্ন করেন, ‘তাহলে তারা কোন ধরনের রাজনীতি চর্চা করেন? জনগণের কল্যাণে তাদের কর্মসূচি কোথায়?’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের বাস্তবায়ন, ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের সম্মাননা প্রদান, খাল খনন এবং বন্ধ থাকা কল-কারখানা পুনরায় চালু করা।

তিনি বলেন, আপনারা যদি এসব কর্মসূচি না দেখে থাকেন, তাহলে যারা দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে, যারা দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

‘গুপ্ত বাহিনী’ ও ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার সরকারের মধ্যকার সংযোগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার কয়েকদিন পরেই আমরা দেখলাম, এই গুপ্ত বাহিনীর লোকজন বলল, ‘তারা যদি আসে, থাকে, কাজ করে আমাদের কোনো আপত্তি নাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাদের কোনো আপত্তি থাকবে কেন? তারা তো বরাবরই তো একসঙ্গে ছিল।’ তিনি অভিযোগ করেন যে, এই দুই পক্ষ ১৯৮৬, ১৯৯১ এবং সর্বশেষ সাম্প্রতিক নির্বাচনেও একসঙ্গে কাজ করেছে। তিনি বলেন, ‘এজন্যই তো তাদের ‘গুপ্ত’ বলা হয়।’

গত ১৭ বছর ধরে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর চলা নিপীড়ন, কারাবাস ও ‘গায়েবি মামলা’র কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের বিরুদ্ধে জনগণই রাজপথে নেমে এসেছিল।

তিনি বলেন, বিগত সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও গণআন্দোলনের মুখে ৫ আগস্ট জনগণ তাদের ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য করেছিল।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com