বিরোধী রাজনৈতিক বক্তব্যে তেজস্বী কণ্ঠের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে জামায়াত-শিবির ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি বলেছেন, ভিপি নুরকে খেপানোর খেসারত জামায়াত-শিবির-এনসিপিকে করুণভাবে দিতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, বিরোধী রাজনৈতিক চরিত্রে বক্তব্যের মধ্যে তেজস্বী ভাব থাকতে হয়, জামায়াত-শিবির আর এনসিপি মিলেও এমন একজন নেতা নাই। নেতার যে বারুদ বজ্রকণ্ঠ জনতার রক্তে শিহরন ও উন্মাদনা সৃষ্টি করে, সেই ধরনের কোনো চরিত্র জামায়াত-এনসিপিতে নেই। জেল-জুলুম আর ধারাবাহিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এমন বলিষ্ঠ কণ্ঠ তৈরি হয়।
রাশেদ খান লেখেন, গুপ্ত রাজনীতি অর্থাৎ গোপনে শিবির আর প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ করে এই বারুদ কণ্ঠ অর্জন করা যায় না।
নুরুল হক নুরের বক্তব্যের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আজকে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের মিসাইলে মগবাজার আর বাংলামোটর তছনছ হয়ে গেছে। বিরোধী রাজনীতিতে ভিপি নুরের কণ্ঠ থেকে যে বারুদ বের হতো, সরকারে যাওয়ার কারণে তা অনেকটা নমনীয় হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু আজকে জামায়াত-এনসিপির ভণ্ডামির বিরুদ্ধে আবারও সেই তেজস্বী নুরকে দেখা গেল।
তিনি আরো লেখেন, শুধু এতটুকুই বলব, ভিপি নুরকে খেপানোর খেসারত জামায়াত-শিবির-এনসিপিকে করুণভাবে দিতে হবে। আমি ভিপি নুরের দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা হিসেবে জানি, ভিপি নুর কী জিনিস, ভিপি নুর মানেই একটা বারুদ।