1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
জুলাইয়ে ওয়াসিম হত্যা মামলার আসামি এখন চট্টগ্রাম এনসিপির শীর্ষ নেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সংবিধান সংশোধনবিষয়ক বিশেষ কমিটির দশম বৈঠক অনুষ্ঠিত ভারতে ইসলামি পারিবারিক আইন রক্ষায় মুসলিমদের স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান মানবপাচার ও মাদকপাচার একই সূত্রে গাঁথা: ইউএনও টেকনাফ ইসলামে যেহেতু জন্মদিন করার রীতি নেই, সেটা মেনে চলার চেষ্টা করি: চিত্রনায়িকা মৌসুমী নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ, এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে ইসিতে আবেদন জাকির নায়েককে ভারতে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল মালয়েশিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের মৌখিক নিষেধাজ্ঞা, ছদ্মবেশে মাহফিলে গেলেন তাহেরী আগামী বছর জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রী টেকনাফে মাছ ধরার সময় বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু, আহত ৫

সেন্টমার্টিন ভ্রমণ: পর্যটক পরিবহনের অনুমতি পায়নি কোনো জাহাজ

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৩/১১/২০২৬ ৩:৩৫ পিএম

কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে পর্যটক পরিবহনের জন্য রুট পারমিট চেয়ে আবেদন করেছে সাতটি জাহাজ। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দেওয়ায় কোনো জাহাজকেই চলাচলের অনুমতি দেয়নি বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। ফলে ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের সেন্টমার্টিন ভ্রমণের সুযোগ চালু হলেও জাহাজ চলাচল শুরু হয়নি।

বিআইডব্লিউটিএ বলছে, কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌপথে চলাচলে আগ্রহী সাতটি পর্যটকবাহী জাহাজের মালিকপক্ষ রুট পারমিটের জন্য আবেদন করেছে। কিন্তু আবেদনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট ও নথিপত্র জমা না দেওয়ায় অনুমোদন দেওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে সোমবার জাহাজমালিকদের চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।

বিআইডব্লিউটিএর নৌনিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপপরিচালক সালমা আক্তার স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে জাহাজমালিকদের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়, এমভি কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, এমভি বারো আউলিয়া ও এমভি টেকনাফের মালিকপক্ষ গত ৬ ও ৭ অক্টোবর রুট পারমিট ও সময়সূচি অনুমোদনের জন্য আবেদন করে। এসব জাহাজের অনুকূলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সম্মতিপত্র পাওয়া গেছে। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়া থেকে সেন্টমার্টিন নৌপথে চলাচলের অনুমোদন দেওয়া যাচ্ছে না।

অন্যদিকে এমভি কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন, এমভি কেয়ারি সিন্দাবাদ, এলসিটি কাজল ও এমভি বে-কুইজার-১-এর মালিকপক্ষ ২৬ ও ২৭ অক্টোবর আবেদন করে। এসব জাহাজের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের কাছে নীতিগত সম্মতি চেয়ে চিঠিও পাঠানো সম্ভব হয়নি। ফলে সাতটি জাহাজের কোনোটিরই রুট পারমিট ও সময়সূচি অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।

চিঠিতে জাহাজমালিকদের হালনাগাদ সার্ভে সার্টিফিকেট, রুট পারমিট ফি জমার প্রমাণ, কনজারভেন্সি ছাড়পত্র, ভয়েজ লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দিতে বলা হয়েছে।

চিঠির বিষয়টি নিশ্চিত করে বিআইডব্লিউটিএর চট্টগ্রাম বিভাগ ও কক্সবাজার নদীবন্দরের উপপরিচালক নয়ন শীল সমকালকে বলেন, কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটক পরিবহনের জন্য জাহাজগুলোকে বিআইডব্লিউটিএর রুট পারমিট নিতে হয়। কয়েকটি জাহাজের মালিক আবেদন করলেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা না দেওয়ায় অনুমতি দেওয়া যাচ্ছে না। পর্যটকদের নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করেই রুট পারমিট দিতে হয়।

নয়ন শীল আরও বলেন, গত বছর পর্যটকবাহী একটি জাহাজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল। এবার যাতে এ ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য জাহাজের ফিটনেসসহ প্রয়োজনীয় সব বিষয় যাচাই করে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে।

বিআইডব্লিউটিএর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে সেন্টমার্টিন পর্যন্ত নৌপথের দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার। কোনো জাহাজের সার্ভে সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় নৌ-সংক্রান্ত কাগজপত্র না থাকলে রুট পারমিট দেওয়ার সুযোগ নেই। দীর্ঘদিন সমুদ্রে চলাচল না করায় জাহাজগুলোর নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এসব সনদ আরও গুরুত্বপূর্ণ। যেসব প্রতিষ্ঠান দ্রুত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেবে, তাদের রুট পারমিটের ব্যবস্থা করা হবে।

জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের যাতায়াতের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। পরে ২৫ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনে আগের বছরের শর্তগুলো বহাল রাখা হয়। তাতে নভেম্বরে দিনে গিয়ে একই দিনে ফিরে আসার নিয়ম এবং ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে দ্বীপে রাতযাপনের সুযোগ রাখা হয়েছিল। এ নিয়ে পর্যটক, হোটেল-রেস্তোরাঁর মালিক ও জাহাজমালিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়।

পরে ২৭ অক্টোবর আগের সিদ্ধান্ত সংশোধন করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব সাবরীনা রহমান স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে ১ নভেম্বর ২০২৬ থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের ভ্রমণ ও রাতযাপনের সুযোগ রাখা হয়। প্রতিদিন সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক দ্বীপে যেতে পারবেন বলেও জানানো হয়। তবে ভ্রমণের সুযোগ চালু হলেও জাহাজের রুট পারমিট না থাকায় পর্যটক পরিবহন নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটেনি।

সেন্টমার্টিনগামী জাহাজমালিকদের সংগঠন সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সাবেক সভাপতি তোফায়েল আহমেদ বলেন, বিআইডব্লিউটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথিপত্র দ্রুত জমা দেওয়ার চেষ্টা করছে জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। আগামী শুক্রবারের মধ্যে পর্যটকবাহী জাহাজ নিয়ে সেন্টমার্টিনে যাওয়ার জন্য ট্যুর অপারেটরদের মধ্যে একধরনের অলিখিত প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে। সুত্র,সমকাল

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com