রাখাইনের অভ্যন্তরে আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা ল্যান্ডমাইনে এক রোহিঙ্গা গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহত ব্যক্তির নাম মো. হামিদ হোসেন সুন্দরী (৪০), সে উখিয়ার কুতুপালং নিবন্ধিত ক্যাম্পের ব্লক সি-২৭ এর বাসিন্দা মৃত কালাম হোসেনের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উখিয়া ব্যাটালিয়নের আওতাধীন পালংখালী বিওপির (বিজিবির সীমান্ত পর্যবেক্ষণ পোস্ট) এলাকায় সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৯ থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার উত্তরে এবং জিরো লাইন থেকে আনুমানিক ২৫০ গজ পশ্চিমে মিয়ানমারের ভেতরে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
বিজিবি ও প্রতক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা যায়, সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় হঠাৎ একটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। পরে জানা যায়, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা নাগরিক গুরুতর আহত হন। ঘটনার পর আহত অবস্থায় সেই রোহিঙ্গা সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রবেশ করলে বিজিবির টহল দল ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করা হয়। পরে
চিকিৎসার জন্য কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ঘটনার বিষয়ে ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল জহিরুল ইসলাম জি জানান, “মিয়ানমার সীমান্তের শূন্যরেখার নিকটে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর পুঁতে রাখা স্থলমাইন বিস্ফোরণে এক রোহিঙ্গা নাগরিক আহত হয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চলে আসেন। সংবাদ পেয়েই বিজিবি ও স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার করে তাকে চিকিৎসার জন্য কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে সীমান্তে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবির নিয়মিত টহল ও কড়া নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।”
এদিকে অনেক রোহিঙ্গা এবং বাংলাদেশি বিজিবির চোখ ফাঁকি দিয়ে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে চোরাচালান আনতে যায়।অনেক সময় এসব মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহত হওয়ার নজিরও রয়েছে। সূত্র: টিটিএন