1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
টেকনাফে একনলা বন্দুকসহ ‘ডাকাত’ করিম আটক কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে হচ্ছে কমিটি, নেতৃত্বে থাকবেন ইউএনও-ওসি জুলাইকে ধারণ করে না তাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে অনুপস্থিত বিরোধীদলীয় নেতা: প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মালদ্বীপ থেকে আসা দুই যাত্রীর পায়ুপথে মিলল ৬ ‘স্বর্ণের ডিম’ প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের খবর ‘অসত্য ও ভিত্তিহীন’: প্রেস কর্মকর্তা প্রবাসীর বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখলেন জামায়াত নেতা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন আমির হামজার মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধে প্রশাসনকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি ড. ইউনূসকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল

​রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সাড়ে ২৫ মিলিয়ন ডলার অনুদান

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৩/০৮/২০২৬ ৩:০৬ পিএম

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জরুরি মানবিক সহায়তায় ২ কোটি ৫২ লাখ ৫০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার (প্রায় ২৫.২৫ মিলিয়ন AUD) অনুদানের ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।

​অস্ট্রেলিয়ার ‘২০২৬-২০২৮ মানবিক সহায়তা কর্মসূচি’র আওতায় জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাকে (ইউএনএইচসিআর) এই অর্থ প্রদান করা হবে।

​সোমবার (৩ আগস্ট) বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং সফররত অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব, শুল্ক, বহুসংস্কৃতি ও আন্তর্জাতিক শিক্ষা বিষয়ক সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিলের উপস্থিতিতে যৌথভাবে এই অনুদানের ঘোষণা দেওয়া হয়।

​বিশ্বব্যাপী মানবিক সহায়তার অর্থায়ন যখন নানা সংকটের মুখে, ঠিক সেই মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়ার এই বহুবর্ষী ও নমনীয় অনুদানকে অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

​সহায়তার মূল ক্ষেত্রসমূহ:

​সুরক্ষা ও মৌলিক সেবা: রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে বসবাসকারী নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধীদের জন্য অপরিহার্য সুরক্ষা কার্যক্রম নিশ্চিত করা।

​দক্ষতা উন্নয়ন: বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা।

​দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস: ঘনবসতিপূর্ণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ ক্যাম্পগুলোতে ঝুঁকি কমানোর কাজ অব্যাহত রাখা।

​অনুষ্ঠানকালে অস্ট্রেলিয়ার সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিল বলেন, “অস্ট্রেলিয়া এই অঞ্চলের মানবিক সংকট সমাধানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মিয়ানমার ও বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের মানবিক চাহিদা পূরণে আমাদের সহায়তা অব্যাহত থাকবে। তবে এর টেকসই সমাধান কেবল মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ তৈরির মাধ্যমেই সম্ভব।”।

​বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিনিধি জুলিয়েট মুরেকেয়িসোনি এবং অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল অর্থায়নের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রায় নয় বছর ধরে চলমান এই সংকট যেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর থেকে হারিয়ে না যায়। আন্তর্জাতিক সহায়তা অব্যাহত না থাকলে নারী, শিশু ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা আরও কঠিন হয়ে পড়বে।

​উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে মিয়ানমারে তীব্র নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বর্তমানে বাংলাদেশের কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে অবস্থান করছেন। সাম্প্রতিক অর্থসংকটের কারণে মৌলিক সেবা ব্যাহত হওয়ায় অনেকেই জীবন ঝুঁকিতে ফেলে সমুদ্রপথে অন্যান্য দেশে পাড়ি জমাবার চেষ্টা করছেন। নতুন করে আরও প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা যুক্ত হওয়ায় এই অর্থায়ন জীবনরক্ষাকারী ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সূত্র: টিটিএন

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com