1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
নিহতদের মধ্যে একজন ছিলেন ছাত্রদল নেতা ফয়সালের স্ত্রী কক্সবাজারের উখিয়ায় রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ঢাবি শিক্ষার্থী নাফিজ তেহামীসহ ৬ জনই একই পরিবারের ‘আমি ও আমার স্ত্রী দোতলা থেকে লাফ দিয়ে প্রাণে বেঁচেছি’ ২ দিনের সফরে শনিবার কক্সবাজার আসছেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করার পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে: জামায়াত আমির জামায়াত নেতার দখলে সরকারি খেলার মাঠ, বললেন ‘এখন আমাদের সময়’ উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ পর্যটকের মৃত্যু উখিয়ায় সংসদ সদস্যের নজরদারি ও এসআরবি-১৫’র অভিযানে অপহৃত সিফাত উদ্ধার, অপহরণকারী আটক হ্নীলার রঙ্গিখালী ও বাহারছড়ার বড় ডেইলে সেনা ক্যাম্প নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী ব্যাংকে পড়ে আছে ১৭২ কোটি টাকা, জানেন না মালিক ও উত্তরাধিকারীরা!

কক্সবাজার সৈকতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবিতে পরিবেশবাদীদের স্মারকলিপি

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১৬/১০/২০২৫ ৫:৩৬ পিএম

কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে অবৈধভাবে নির্মিত দোকানপাট, ঝুপড়িসহ সব স্থাপনা উচ্ছেদ করতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি দিয়েছে পরিবেশবাদী সংস্থা ইয়ুথ এনভায়রনমেন্ট সোসাইটি (ইয়েস)।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার ভিত্তিক এ পরিবেশবাদী সংস্থার প্রতিনিধিরা গিয়ে জেলা প্রশাসক মোঃ আঃ মান্নানের হাতে স্মারকলিপিটি তুলে দেন।
এসময় ইয়েস এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা এডভোকেট রমিজ উদ্দিন, চেয়ারম্যান এডভোকেট মুজিবুল হক, প্রধান নির্বাহী ইব্রাহিম খলিল মামুন, বাংলাদেশ নদী পরিভ্রাজক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইসলাম মাহমুদ ও যুগ্ন সম্পাদক এডভোকেট আবুহেনা মোস্তফা প্রমুখ।

স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের নাজিরারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত শতশত দোকান বসানো হয়েছে। পাশাপাশি নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা। এসব স্থাপনা সৈকতের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যে মারাত্মক বিপর্যয়কর। এছাড়া সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে আইন ও বিধি-বর্হিভূতভাবে এসব স্থাপনার মধ্যে বেশকিছু দোকানের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে।

পরিবেশবাদীদের পক্ষ থেকে দেওয়া এ স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ এলাকায় স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে নির্মিত সকল স্থাপনা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক এবং এসব স্থাপনা স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরিবেশ অধিদফতরের অনুমোদন ব্যতিরেকে সৈকতের বালিয়াড়িতে এধরণের স্থাপনা নির্মাণ সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ। কারণ সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। একইভাবে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টও বিভিন্ন সময়ে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। তাই জনস্বার্থে দোকানসহ এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা প্রয়োজন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, এর আগে অবৈধ এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করতে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। সেই সঙ্গে জেলা প্রশাসন কর্তৃক সৈকতে ব্যবসা করতে দেওয়া সব লাইসেন্স বাতিলেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এমন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com