1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
কক্সবাজারে চাহিদার চেয়েও বেশি সার বরাদ্দ, তবুও সার সংকট- পাচার হচ্ছে মিয়ানমারে , বিনিময়ে ঢুকছে মাদক ও অস্ত্র প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা সেই সিফাতের জামিন নামঞ্জুর মহেশখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাল যুবক চট্টগ্রামে দুই লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার সময় সাব-রেজিস্ট্রার আটক দেশের স্বার্থ ও জনস্বার্থ বিবেচনা করেই কাজ করতে হবে-টেকনাফে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি উখিয়ার এসি ল্যান্ড শারমিন সুলতানা বদলি খালা ও খালুর ইয়াবা পাচার করছিল কক্সবাজার সরকারী কলেজ ছাত্রী শরিফা! পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলেই বের হবে, বাসে ককটেল মারছে কারা: রাশেদ খাঁন জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে ফেসবুক পোস্ট দিয়ে পদ হারালেন জেলা ছাত্রদল নেতা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের আরও ১১টি বিমান কিনবে বাংলাদেশ

কক্সবাজারে চাহিদার চেয়েও বেশি সার বরাদ্দ, তবুও সার সংকট- পাচার হচ্ছে মিয়ানমারে , বিনিময়ে ঢুকছে মাদক ও অস্ত্র

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২২/০৯/২০২৬ ১০:৪২ পিএম

উখিয়া-টেকনাফে প্রয়োজনের তুলনায় কম সার পাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কৃষকরা। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়েও জমির পরিমাণ অনুযায়ী সার মিলছে না। ১০ কানি জমির কৃষককে কোথাও দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১০ কেজি, আবার দুই বস্তা প্রয়োজন হলেও মিলছে ২০ কেজি।

কৃষকদের অভিযোগ, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে কৃষকের জন্য বরাদ্দ সার অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সীমান্ত দিয়ে এসব সার মিয়ানমারে পাচার হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। উখিয়ার মরিচ্যায় সম্প্রতি ১৫ টন বা ৩০০ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়েছে। জুন থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কক্সবাজার ও বান্দরবান সীমান্তে ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯০৮ কেজি সার জব্দ ও ১১৭ জনকে আটক করা হয়েছে।

বাংলাদেশে এক বস্তা ইউরিয়ার সরকারি দাম প্রায় ১ হাজার ৩৫০ টাকা; মিয়ানমারে একই সার প্রায় ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এই মূল্য ব্যবধানকে কাজে লাগিয়ে সংঘবদ্ধ চক্র পুরোনো মাদক, অস্ত্র ও মানবপাচারের রুট ব্যবহার করে সার পাচার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ডিলার, দালাল, পরিবহনকারী, নৌকার মাঝি ও কিছু কৃষকের সম্পৃক্ততার অভিযোগও উঠেছে। পাচারের বিনিময়ে মাদক ও অস্ত্র দেশে ঢোকার অভিযোগ রয়েছে।

কক্সবাজারে চলতি মাসে ইউরিয়ার চাহিদা ১ হাজার ৮৪৩ টন হলেও বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৩৪৩ টন। এরপরও কৃষক সার না পাওয়ায় বরাদ্দের সার কোথায় যাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

উখিয়া কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, সার পাচারের অভিযোগে ১২টি মামলা হয়েছে, এর মধ্যে দুজন ডিলার রয়েছেন। জেলা পর্যায়ের তদন্তে ১০ থেকে ১২ জন ডিলারের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়ার কথা জানা গেছে এবং ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। প্রশাসন জানিয়েছে, সার বিতরণে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com