1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
কক্সবাজার পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে উন্নীত করার নির্দেশ, প্রতিবেদন তলব ওরে নিয়ে আমি একবারই এসেছি: জামায়াতের ভাইরাল এমপি নজরুল নারীর সঙ্গে সেই ভাইরাল ভিডিও: জামায়াত এমপি বললেন তাকে ব্ল্যাকমেইল ও চরিত্রহননের চেষ্টা করা হয়েছে টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর ৩ সদস্য আটক সবুজায়নের বার্তা: এমপি শাহজাহান চৌধুরীর উপস্থিতিতে উখিয়া কলেজে বৃক্ষরোপণ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি হচ্ছেন মোজাফফর খালি পায়ের শিশু আফিফার আর্তিতে মমতার হাত বাড়ালেন ইউএনও পান্না আক্তার মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের রণক্ষেত্র দিল্লি, বন্ধ ইন্টারনেট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফেরত চেয়ে ভারতকে বাংলাদেশের চিঠি

রামুতে দুই শিশুহত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড, চারজনের যাবজ্জীবন

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২১/১০/২০২৫ ২:৪৬ পিএম
CREATOR: gd-jpeg v1.0 (using IJG JPEG v62), quality = 80?

কক্সবাজারের রামুতে সহোদর দুই শিশুকে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ে ব্যর্থ হয়ে হত্যার দায়ে পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিন নারীসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার এক আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজারের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. ওসমান গণি এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মীর মোশারফ হোসেন টিটু।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের বড়বিল এলাকার আব্দুর শুক্কুর, আলমগীর হোসেন (ভুলু), জাহাঙ্গীর আলম, মো. শহীদুল্লাহ ও মিজানুর রহমান।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—রাশেদা বেগম, ফাতেমা খাতুন, লাইলা বেগম ও মজিদ বদাইয়া।
খালাস পেয়েছেন মোকারমা সুলতানা পুতু।

২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর বড়বিল এলাকায় মো. ফোরকানের দুই ছেলে হাসান ওরফে শাকিল (১১) এবং হোসেন ওরফে কাজল (৮)-কে পাখির ছানা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে আসামিরা। পরে ফোনে পরিবারের কাছে চার লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

অপহরণের দুই দিন পর (১৯ জানুয়ারি) শিশুদ্বয়ের বাবা অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পুলিশের তদন্তে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে স্থানীয় এক পাহাড়ি জঙ্গল থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরে ২০১৬ সালের ৭ এপ্রিল মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা এবং ২০১৯ সালের ২০ মার্চ চার্জগঠন করা হয়। দীর্ঘ সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আদালত আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ সাজা প্রদান করেন।

রায় ঘোষণার সময় প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম আদালতে উপস্থিত ছিলেন, অন্য আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com