1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
প্রার্থী বাছাইয়ে ৪ মানদণ্ডের ওপর গুরুত্ব বিএনপির প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পদ হারালেন জামায়াত নেতা শান্তিতে নোবেল পেলেন রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার বিচারক দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ, বন্ধ হচ্ছে ৫৭টি মেট্রো স্টেশন বিএনপি সরকারের সাত মাসে ৩২ কূপ খনন, যুক্ত হচ্ছে প্রায় ১৪৮ এমএমসিএফ গ্যাস ‘মাকে আমার সঙ্গে দিলে আমি সুইসাইড করব’, গ্রামপুলিশ ছেলের ঘরে আশ্রয় মেলেনি বৃদ্ধ মায়ের হাসিনার কবরটাও দেয়ার মতো সাহস বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কারো নেই: রাশেদ খাঁন পরিচয় গোপন করেও রক্ষা পেল না খুনি, ৮ দিন পর উখিয়া থেকে গ্রেপ্তার ৬ বছর পর নিষিদ্ধ অবস্থায় কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের ৮৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি দাউদকান্দিতে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ৩৬ হাজার ইয়াবাসহ টেকনাফের চালক গ্রেপ্তার

পরিচয় গোপন করেও রক্ষা পেল না খুনি, ৮ দিন পর উখিয়া থেকে গ্রেপ্তার

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৯/১০/২০২৬ ২:৪৫ পিএম

কক্সবাজার শহরের আবাসিক হোটেলের শৌচাগারে নারীকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আলোচিত সেই যুবক ইরফানকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের আট দিন পর আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উখিয়ার মধুছড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ইরফান কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প-৪-এর বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত লেদু হোসেন এবং মায়ের নাম জরিনা খাতুন।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে কক্সবাজার শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকার স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্ট’র ৩০২ নম্বর কক্ষের শৌচাগার থেকে কুলছুমা আক্তার (২৫) নামে এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করে, ছুরি দিয়ে জবাই করে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় পরদিন ১ অক্টোবর কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের মা ছায়েরা খাতুন। মামলায় ইরফানকে একমাত্র আসামি করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য, ঘটনার দিন ইরফান তার কথিত স্ত্রী কুলছুমাকে নিয়ে ওই হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠেন। হোটেলের নিবন্ধন খাতায় নিজের পরিচয় গোপন করে তিনি ‘আরফান’ নামে কক্ষটি ভাড়া নেন। তাদের সঙ্গে কুলছুমার আড়াই বছর বয়সী শিশুসন্তানও ছিল।

হোটেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে কুলছুমা ও ইরফান বাইরে বেরিয়ে যান। বিকেল ৩টার দিকে তারা আবার হোটেলে ফেরেন। পরে রাতে কক্ষের শৌচাগারে কুলছুমার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। হত্যার পর ইরফান কৌশলে হোটেল থেকে পালিয়ে যান। তবে শিশুটি কক্ষেই ছিল। পরে তাকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কক্সবাজার সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শামীম বলেছেন, ‘আরফান’ নামেই ওই ব্যক্তি হোটেলের কক্ষ বুকিং করেছিলেন। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

তিনি জানান, কুলছুমা ঈদগাঁও উপজেলার বাসিন্দা। স্বামী মো. হারুণের সঙ্গে পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে তাঁর একটি মামলা চলছিল। ওই মামলায় হাজিরা দেওয়ার কথা থাকায় তিনি ঈদগাঁও থেকে কক্সবাজার শহরে এসেছিলেন। তবে হোটেলে তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তি তাঁর স্বামী হারুণ ছিলেন না।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী আগে জানিয়েছিলেন, কুলছুমার সঙ্গে হোটেল কক্ষে থাকা যুবকের পরিচয় তার পরিবারের সদস্যরাও জানতেন না। হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং এর সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছিল। ঘটনার পর হোটেলের দুই কর্মচারীকেও হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

ওসির তথ্য মতে, ইরফানকে গ্রেপ্তারে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসছিল। পরে গোপন তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। বৃহস্পতিবার কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ ও আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) যৌথ অভিযানে উখিয়ার মধুছড়া ক্যাম্প থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী নিশ্চিত করেছেন, ইরফানকে এই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। সূত্র: উখিয়া নিউজ

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com