1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
জুলাইকে ধারণ করে না তাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে অনুপস্থিত বিরোধীদলীয় নেতা: প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মালদ্বীপ থেকে আসা দুই যাত্রীর পায়ুপথে মিলল ৬ ‘স্বর্ণের ডিম’ প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের খবর ‘অসত্য ও ভিত্তিহীন’: প্রেস কর্মকর্তা প্রবাসীর বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখলেন জামায়াত নেতা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন আমির হামজার মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধে প্রশাসনকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি ড. ইউনূসকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে মরদেহগুলো : ডিএনএ টেস্টে সময় লাগবে ৪ সপ্তাহ

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরার অধিকার রয়েছে: ১৬ কূটনৈতিক মিশন

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৫/০৮/২০২৬ ২:১৭ পিএম

রোহিঙ্গা সংকটের নবম বার্ষিকীতে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রতি সংহতি জানিয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশে থাকা ১৬টি কূটনৈতিক মিশন। বিবৃতিতে তারা বলেছে, রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে নিজেদের ঘরে ফেরার অধিকার রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে কূটনৈতিক মিশনগুলো জানায়, রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাত ও মানবিক সংকটের কারণে বর্তমানে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিস্থিতি নেই।

বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের ব্যাপক বাস্তুচ্যুতির নয় বছর পরও প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থী বাংলাদেশে অবস্থান করছে।

প্রায় এক দশক ধরে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।
কূটনৈতিক মিশনগুলো বলেছে, রাখাইনে সংঘাত বৃদ্ধি, বেসামরিক স্থাপনায় বিমান হামলা এবং ত্রাণ ও বাণিজ্য কার্যক্রমে বাধার কারণে মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি হচ্ছে।

এতে বাংলাদেশসহ পুরো অঞ্চলে নতুন করে বাস্তুচ্যুতি ও ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রায় প্রাণহানির আশঙ্কা বাড়ছে।

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, এর মাধ্যমে বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ মোকাবিলা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে আস্থা পুনর্গঠন এবং মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এ ছাড়া রোহিঙ্গাদের শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা রাখাইনে ফিরে নিজেদের ঘরবাড়ি, জীবিকা ও সম্প্রদায় পুনর্গঠন করতে পারে।

যৌথ বিবৃতিতে কূটনৈতিক মিশনগুলো রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে কানাডা, ডেনমার্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, জাপান, কসোভো, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড ও যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক মিশন।

সূত্র: বাংলা নিউজ 24

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com