1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
নিহতদের মধ্যে একজন ছিলেন ছাত্রদল নেতা ফয়সালের স্ত্রী কক্সবাজারের উখিয়ায় রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ঢাবি শিক্ষার্থী নাফিজ তেহামীসহ ৬ জনই একই পরিবারের ‘আমি ও আমার স্ত্রী দোতলা থেকে লাফ দিয়ে প্রাণে বেঁচেছি’ ২ দিনের সফরে শনিবার কক্সবাজার আসছেন পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করার পরিণাম ভয়াবহ হতে পারে: জামায়াত আমির জামায়াত নেতার দখলে সরকারি খেলার মাঠ, বললেন ‘এখন আমাদের সময়’ উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ পর্যটকের মৃত্যু উখিয়ায় সংসদ সদস্যের নজরদারি ও এসআরবি-১৫’র অভিযানে অপহৃত সিফাত উদ্ধার, অপহরণকারী আটক হ্নীলার রঙ্গিখালী ও বাহারছড়ার বড় ডেইলে সেনা ক্যাম্প নির্মাণের স্থান পরিদর্শনে এমপি শাহজাহান চৌধুরী ব্যাংকে পড়ে আছে ১৭২ কোটি টাকা, জানেন না মালিক ও উত্তরাধিকারীরা!

আওয়ামী লীগ আমলের তিন নির্বাচনে কারা ছিলেন নির্বাহী হাকিম? তথ্য নিচ্ছে ইসি

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৬/০৮/২০২৫ ১১:৩৪ এএম

দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ম্যাজিস্ট্রেটদের নাম-ঠিকানা জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট নম্বর ও মোবাইল নম্বরসহ আরো কিছু তথ্য চাওয়া হয়েছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের প্রশ্নবিদ্ধ তিন সংসদ নির্বাচনে কারা নির্বাহী হাকিম হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, সেই তথ্য সংগ্রহ করছে নির্বাচন কমিশন।

‘জনগণের ভোট ছাড়া’ ওই নির্বাচনগুলো আয়োজনের অভিযোগে বিএনপির দায়ের করা মামলা তদন্তের দায়িত্বে থাকা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এ বিষয়ে তথ্য চেয়েছিল ইসির কাছে।

সেই প্রেক্ষাপটে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের ভোটের কাজে থাকা ম্যাজিস্ট্রেটদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করার এ উদ্যোগ নিয়েছে ইসি সচিবালয়। তথ্য চেয়ে বুধবার সব জেলার ডিসি এবং ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনারকে চিঠি পাঠিয়েছেন ইসির উপসচিব মনির হোসেন।

সংসদ নির্বাচনে ৩০০ আসনে আচরণ বিধি প্রতিপালন এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় ভোট ঘিরে মোটামুটি দেড় হাজারের বেশি নির্বাহী হাকিম নিয়োজিত থাকেন। আর বিচারিক হাকিমও থাকে ইসির চাহিদা মত।

চিঠিতে বলা হয়েছে, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ম্যাজিস্ট্রেটদের নাম-ঠিকানা জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট নম্বর ও মোবাইল নম্বরসহ আরো কিছু তথ্য পাঠাতে হবে।

এর আগে বিগত তিন সংসদ নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং পোলিং অফিসারদের বিস্তারিত তথ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে চেয়েছিল পিবিআই।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেছিলেন, পিবিআই এর চাহিদা অনুযায়ী তথ্য সরবরাহের ব্যবস্থা তারা নিচ্ছেন।

সাবেক তিন সিইসি: কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, এ কে এম নূরুল হুদা ও কাজী হাবিবুল আউয়াল। ছবি:সীমান্ত শহর

 

দশম থেকে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ইসির সাংবিধানিক দায়িত্ব ‘পালন না করে’ উল্টো ‘ভয়-ভীতি দেখিয়ে’ জনগণের ভোট ছাড়াই নির্বাচন করার অভিযোগে গত ২২ জুন এ মামলা করে বিএনপি।

ওই তিন নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা নির্বাচন কমিশনের সব পদাধিকারীর পাশাপাশি ক্ষমতচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আসামি করা হয়েছে সেখানে।

২০১৪ সালের নির্বাচনে সিইসি ছিলেন কাজী রকিব উদ্দিন আহমদ, ২০১৮ সালে কে এম নূরুল হুদা এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে ছিলেন কাজী হাবিবুল আউয়াল। তাদের মধ্যে নূরুল হুদা ও হাবিবুল আউয়ালকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

২০০৮ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে।

সে অনুযায়ী ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা হয় আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা অবস্থায়।

এর মধ্যে দশম ও দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের নির্দলীয় সরকারের দাবি পূরণ না হওয়ায় নির্বাচনে অংশ নেয়নি বিএনপিসহ বেশিরভাগ বিরোধী রাজনৈতিক দল।

তাদের বর্জনের ফলে দশম নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৩টিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংসদ সদস্য হয়ে যান। সেই সংসদকে ‘বিনা ভোটের সংসদ’ আখ্যা দেয় ভোট বর্জন করা বিএনপি।

বিএনপিসহ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর একটি অংশ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গড়ে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিলেও ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ উঠে। অধিকাংশ ভোট আগের রাতে হয়ে যাওয়ার অভিযোগের মধ্যে বিরোধীরা মাত্র সাতটি আসনে জয় পায়। সে নির্বাচনের নাম হয় ‘নীশিরাতের নির্বাচন’।

২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বিএনপি ও সমমনাদের বর্জনে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক দেখাতে শরিক ও বিরোধীদল জাতীয় পার্টির জন্য আসন ছেড়ে দেয় আওয়ামী লীগ। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের সঙ্গে দলের বিদ্রোহীদের। এ নির্বাচনের নাম হয় ‘আমি আর ডামি’ নির্বাচন।

প্রশ্নবিদ্ধ ওই তিন নির্বাচনেই আওয়ামী লীগ জয়ী হয় এবং ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে দেশ শাসন করে যায়। শেষ পর্যন্ত ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে।

এরপর ওই তিন নির্বাচনে অনিয়মের জন্য দায়ীদের বিচারের দাবি তোলা হয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে। তাতে সাড়া দিয়ে পাঁচ সদস্যের একটি কমিশন গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।

অভিযোগগুলো পর্যালোচনার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা বিশ্লেষণ, অনিয়মের দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ এবং ভবিষ্যতে সুষ্ঠু ও মানসম্পন্ন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সুপারিশ প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওই কমিশনকে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com