1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
প্রবাসীর বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখলেন জামায়াত নেতা, এলাকাবাসীর মানববন্ধন আমির হামজার মাহফিলে রাজনৈতিক বক্তব্য বন্ধে প্রশাসনকে ছাত্রদলের স্মারকলিপি ড. ইউনূসকে করের ৬৬৬ কোটি টাকা দিতে বলা হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল জাতীয় পতাকার মান রক্ষা করা সব সৈনিকের পবিত্র দায়িত্ব: প্রধানমন্ত্রী আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে মরদেহগুলো : ডিএনএ টেস্টে সময় লাগবে ৪ সপ্তাহ টুপটুপ রিসোর্ট ট্র্যাজেডি : খোঁজ নেই নাহিদসহ পরিবারের ৪ জনের ইনানীতে রিসোর্টে আগুন: মালিক ও ম্যানেজারসহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১ ২৮ কেজি গাঁজাসহ রামুতে ৩ রোহিঙ্গা গ্রেফতার অগ্নিকান্ডের ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি : ৫ কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন টুপটুপ রিসোর্টে ছিল না অগ্নিনিরাপত্তার লাইসেন্স, জুনে সতর্ক করা হয়েছিল

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবদলকর্মী হত্যা, গ্রেপ্তার ৮

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৯/১০/২০২৫ ১:২৬ পিএম

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানাধীন এক্সেস রোড এলাকায় যুবদলকর্মী সাজ্জাদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম নগর ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

বাকলিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোজাম্মেল হক ও মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক (নি.) আফতাব হোসেনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই (নি.) কিশোর মজুমদারের সঙ্গে বাকলিয়া থানা ও মহানগর গোয়েন্দা শাখার একাধিক কর্মকর্তা অংশ নেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন-সবুজ ইসলাম মিরাজ (২৪), মো. সাইদুল ইসলাম (২০), এমরান হোসেন সাগর (৩০), জিহান (২২), মো. তামজিদুল ইসলাম প্র. সাজু (৪৭), মো. আরাফাত (২২), মো. ওসমান (২৮) ও দিদারুল আলম রাসেল। গ্রেপ্তারদের বুধবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত পৌনে ১টার দিকে বাকলিয়া থানার এক্সেস রোড সংলগ্ন মদিনা আবাসিক এলাকার সামনে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলীয় ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এতে যুবদলকর্মী সাজ্জাদ হোসেন (২৩) গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। আরও অন্তত ১৩ জন আহত হন।

এ ঘটনায় নিহত সাজ্জাদের বাবা মো. আলম বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৩৫–৪০ জনকে আসামি করে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন।

এজাহারে যুবদল নেতা বোরহান উদ্দিন, নজরুল ইসলাম সোহেল, মিল্টন, ছোট বাদশা, ইউসুফ প্র. হিরন, সবুজ ইসলাম মিরাজ, সাইদুল ইসলাম, এমরান হোসেন সাগর, দিদার, রিয়াজ করিম, জিহান, তামজিদুল ইসলাম প্র. সাজু, আরাফাত, ছোট বোরহান, মোজাহের মেম্বার, এহতেশামুল হক ভোলা ও নাঈম উদ্দিনসহ আরও অনেকে অভিযুক্ত হয়েছেন।

পুলিশ বলছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারদের কয়েকজন হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেছেন। ঘটনাটির পেছনে দলীয় আধিপত্য ও এলাকায় প্রভাব বিস্তারের বিরোধকে মূল কারণ হিসেবে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কিশোর মজুমদার বলেন, ঘটনার পর থেকেই আমরা টার্গেট করে অভিযান চালাচ্ছিলাম। এজাহারনামীয় ও তদন্তে শনাক্ত আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

নগর পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, সংঘর্ষে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের চেষ্টা চলছে এবং প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে ভিডিওচিত্র পর্যালোচনা করে অন্যদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com