একাধিক ইউনিয়ন ও পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকাকালে অনিয়ম, মন্ত্রণালয়ের তদন্ত শুরু
চকরিয়ার সদ্য বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে উত্থাপিত সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগের প্রেক্ষিতে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের মিলনায়তন মোহনায় এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
জানা গেছে, মোহাম্মদ আতিকুর রহমান চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি পৌর প্রশাসক এবং পশ্চিম বড় ভেওলা, সাহারবিল, হারবাং ও বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বে থাকা এক বছর পাঁচ দিনের সময়কালে তিনি স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে ম্যানেজ করে সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দ লুটেপুটে খেয়েছেন। তার বদলির পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চকরিয়ার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষ নানা প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছেন।
এদিকে গত ২৪ ডিসেম্বর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপপরিচালক মোহাম্মদ শামীম আল ইমরানের প্রেরিত এক চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, চকরিয়ার বিদায়ী ইউএনও মোহাম্মদ আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে পৌরসভা ও উপজেলার শত শত ভুক্তভোগী জনসাধারণের পক্ষ থেকে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ের জন্যই এ গণশুনানির আয়োজন করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিদায়ী ইউএনও মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, “আমি চকরিয়ায় দায়িত্ব পালনকালে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে।” অভিযোগকারীদের বিষয়ে তিনি অবগত নন জানিয়ে আরও বলেন, “যারা আমার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন, তারা হয়তো আমার দায়িত্বকালে কোনো সুবিধা ভোগ করতে পারেননি। সে কারণেই এই ধরনের অভিযোগ এনেছেন।”
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর তিনি চকরিয়া উপজেলার ইউএনও হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করে ছিলেন।