1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
আ.লীগের চুরি ও পাচারের কারণেই বিদ্যুৎ-জ্বালানি খাতে চাপ : তথ্যমন্ত্রী মরণোত্তর জাতিসংঘ পদক পেলেন ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী মহেশপুরে জামায়াতের ৩০০ নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর দ্রুত খুলে দেওয়া হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী টেকনাফে ৬ কোটি টাকার ইয়াবা ফেলে পালালো পাচারকারীরা উখিয়া থেকে অপহৃত যুবক টেকনাফে উদ্ধার প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি, চোরাই তারসহ ২ জন গ্রেফতার ৫০টি হারানো ফোন উদ্ধার করে মালিকদের পৌঁছে দিল কক্সবাজার পুলিশ আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক বিজিবি-আরএসও গোলাগুলি, অস্ত্র-ইয়াবা উদ্ধার

টেকনাফে অভিযান জোরদার, উখিয়ার রোহিঙ্গা দখল বাড়ছে

✍️ উখিয়া নিউজ •

প্রকাশিত: ৩১/১০/২০২৫ ৩:৩৮ এএম

কক্সবাজারের টেকনাফে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া ক্যাম্পের বাইরে যাতায়াত করা নারী ও শিশুসহ ১০৭ জন রোহিঙ্গাকে হেফাজতে নেয় বিজিবি। পরে তাদের শরণার্থী ক্যাম্পে ফেরত পাঠানো হয়।

বুধবার গভীররাতে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবির টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান জানান, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের দমদমিয়া চেকপোস্টে তল্লাশি চালিয়ে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।
তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্পে বসবাসকারী রোহিঙ্গাদের বাইরে অবাধে আনাগোনা বেড়েছে।

এদের মধ্যে অনেকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে সংঘটিত নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্য বিজিবির কাছে রয়েছে।

“এতে সীমান্ত এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। এ নিয়ে বিজিবি টেকনাফের বিভিন্ন তল্লাশি চৌকিতে তৎপরতা বৃদ্ধি করে।”

এর পরিপ্রেক্ষিতে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের দমদমিয়া চেকপোস্টে তল্লাশি জোরদার করা হয়।

এ সময় ক্যাম্প প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া বাইরে যাতায়তের সময় বিভিন্ন যানবাহনে তল্লাশি করে ১০৭ জন রোহিঙ্গাকে হেফাজতে নেওয়া হয় বলে জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান।

বিজিবির এ কর্মকর্তা বলেন, “হেফাজতে নেওয়া রোহিঙ্গারা টেকনাফ ও উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পের বাসিন্দা। তাদের মধ্যে ৬১ জন পুরুষ, ২৮ জন নারী ও ১৮ জন শিশু।

“তারা টেকনাফসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্যাম্পের বাইরে অবস্থানকারী আত্মীয়ের কাছে বেড়াতে যাওয়াসহ নানা কাজে যাতায়াত করছিল।”

পরে তাদের কাছ থেকে অঙ্গীকারনামা নিয়ে নিজ নিজ ক্যাম্পের মাঝির জিম্মায় ফেরত পাঠানো হয় বলে জানান লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, টেকনাফে নিয়মিত অভিযান চললেও উখিয়ায় তেমন অভিযান পরিচালিত হয় না। ফলে উখিয়ার কুতুপালং এলাকার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা এখন রোহিঙ্গায় ভরে গেছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com