1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
কক্সবাজারে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় সেই রাজুর ৩ দিনের রিমান্ড ছাত্রলীগের কমিটিতে জামায়াত নেতার ছেলের নাম, বললেন ‘আগে জানলে ত্যাজ্য করতাম’ রাষ্ট্রপতির সহকারী প্রেস সচিব হলেন কাজী রাকিব রোহিঙ্গাদের ৪৬ কোটি পাউন্ডেরও বেশি সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক চলতি অর্থবছরে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন হবে: ইসি মাছউদ টেকনাফে একনলা বন্দুকসহ ‘ডাকাত’ করিম আটক কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে হচ্ছে কমিটি, নেতৃত্বে থাকবেন ইউএনও-ওসি জুলাইকে ধারণ করে না তাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে অনুপস্থিত বিরোধীদলীয় নেতা: প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মালদ্বীপ থেকে আসা দুই যাত্রীর পায়ুপথে মিলল ৬ ‘স্বর্ণের ডিম’

সংসদ নির্বাচন: রাজধানীসহ ৪৮৯টি উপজেলায় বিজিবি মোতায়েনের সিদ্ধান্ত

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৮/০১/২০২৬ ২:২১ এএম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখরভাবে আয়োজন নিশ্চিত করতে রাজধানীসহ দেশের ৪৮৯টি উপজেলায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রে জানানো হয়, দেশের মোট ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টিতেই বিজিবি মোতায়েন করা হবে। তবে সন্দ্বীপ, হাতিয়া, কুতুবদিয়া, দাকোপ, মনপুরা ও রাঙ্গাবালি- এই ছয়টি উপজেলা মোতায়েনের আওতার বাইরে থাকবে।

 

এর আগে বিজিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নির্বাচনকালীন শান্তি ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সারাদেশে ইতোমধ্যে মোট ১ হাজার ১৫১ প্লাটুন মোতায়েন করা হয়েছে।

 

‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় বিজিবি মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।

এদিকে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে নির্বাচনপূর্ব ও নির্বাচন পরবর্তী মিলিয়ে সাত দিনের জন্য সারাদেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, ভোটগ্রহণের চার দিন আগে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বিজিবি মোতায়েন শুরু হবে এবং তা চলবে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) এবং কোস্ট গার্ড আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করবেন।

এই নির্বাচনে প্রায় ১২ কোটি ৭৫ লাখ ভোটার অংশ নেবেন। ৩০০টি সংসদীয় আসনের প্রায় ৪৩ হাজার ভোটকেন্দ্রে মোট প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট ৮ লক্ষাধিক সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপির প্রায় ৫ লাখ ৫০ হাজার সদস্য ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার পুলিশ সদস্য, ১ লাখ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং ৩৫ হাজার বিজিবি সদস্য সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।নির্বাচনকালে নিরাপদ পরিবেশ বজায় রাখতে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) ও কোস্টগার্ডও সহায়তা প্রদান করবে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com