1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
ধর্ষণে অভিযুক্ত’ শিবির নেতা আত্মগোপনে গিয়ে সাজালেন অপহরণের নাটক কোদাল দিয়ে মাটি কেটে পাতলী খাল পুনঃখননের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বার কাউন্সিলের এমসিকিউতে পাস করলেন জাইমা থানায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে পিটিয়ে ১১ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত টেকনাফ দোয়েলকার মালিক সমিতির সেক্রেটারী শহিদ ৮ হাজার ইয়াবাসহ আটক জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন নেই, প্রতারণার বাজেট: এনসিপি চট্রগ্রামে ১০ হাজার ইয়াবাসহ রোহিঙ্গা আটক: উখিয়ার বক্তার মেম্বারের বিরুদ্ধে গুরুত্বর অভিযোগ জামায়াত ও আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে অর্ধশত গাছ কাটার অভিযোগ ৪১০ লিটার মদ তৈরির উপকরণসহ ব্রাজিল সমর্থক গ্রেপ্তার কক্সবাজারে ছয় মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী

সেন্টমার্টিন ভ্রমণ নিয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২২/১০/২০২৫ ৩:২৩ পিএম

কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের নাজুক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভ্রমণ নিয়ন্ত্রণে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। বুধবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ–২ শাখা থেকে ১২ দফা নির্দেশনা সংবলিত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

‘সেন্টমার্টিন দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটন নির্দেশিকা, ২০২৩’–এর আলোকে এসব নির্দেশনা কার্যকর হবে। এর লক্ষ্য হলো দ্বীপের ভঙ্গুর বাস্তুতন্ত্রকে সুরক্ষা দিয়ে পর্যটনকে আরও দায়িত্বশীল ও টেকসই পথে আনা।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ–পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া সেন্টমার্টিনগামী কোনো নৌযানের অনুমতি দিতে পারবে না। পর্যটকদের অনলাইনে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত ওয়েবসাইট থেকে টিকিট কিনতে হবে, যেখানে প্রতিটি টিকিটে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড সংযুক্ত থাকবে। কিউআর কোড ছাড়া টিকিট অবৈধ বলে গণ্য হবে।

দ্বীপে ভ্রমণের সময়সূচিও এবার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে। নভেম্বর মাসে পর্যটকরা কেবল দিনের বেলায় যেতে পারবেন, রাত্রিযাপন করা যাবে না। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে সীমিত সংখ্যক পর্যটক রাত্রিযাপন করতে পারবেন। ফেব্রুয়ারি মাসে দ্বীপে পর্যটক যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। প্রতিদিন গড়ে দুই হাজারের বেশি পর্যটক প্রবেশ করতে পারবেন না।

সেন্টমার্টিনের সৈকতে রাতের বেলায় আলো জ্বালানো, উচ্চ শব্দ সৃষ্টি বা বারবিকিউ পার্টি আয়োজন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেয়া বনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ বা বিক্রয়, সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, রাজকাঁকড়া, শামুক–ঝিনুকসহ যেকোনো জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ সব ধরনের মোটরচালিত যান চলাচলও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

দ্বীপে পলিথিন বহন করা যাবে না, আর একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক যেমন চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিক চামচ, স্ট্র, সাবান ও শ্যাম্পুর ছোট প্যাকেট, ৫০০ ও ১০০০ মিলিলিটারের বোতলজাত পানি বহন নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। পর্যটকদের নিজস্ব পানির ফ্লাস্ক সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সরকার আশা করছে, এসব নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেন্টমার্টিন দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং দ্বীপটি টেকসই পর্যটনের আদর্শ হিসেবে গড়ে উঠবে।

উল্লেখ্য, সেন্টমার্টিনে পরিবেশবান্ধব ভ্রমণ বাস্তবায়ন বিষয়ে এক সভা আজ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন ও ই–টিকেটিং ব্যবস্থাপনা সংস্থার প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com