1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
মালয়েশিয়ার ইউএনএইচসিআরের সম্পৃক্ততা ছাড়াই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন পেকুয়ার আলোচিত হত্যা মামলার প্রধান আসামি সিফাত টেকনাফে গ্রেপ্তার জেলা ফুটবল দলের গোলরক্ষক সাঈদীকে কু/পি/য়ে/ছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের ভাইপো বিএনপি সরকারের ৬ মাসে খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ মেট্রিক টন ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানে আগামী তিন মাসের মধ্যে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে : প্রধানমন্ত্রী গুলশানে আওয়ামী লীগের মিছিলে অংশ নেওয়া ৩২ জন গ্রেফতার পাঁচ-সাত দিনের মধ্যে গ্যাস সমস্যা স্বাভাবিক হবে: প্রধানমন্ত্রী চলতি বছরই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী শাহপরীরদ্বীপে নাফ নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ দুই শিশুর মৃত্যু টেকনাফে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ফুটবলার সৈয়দ করিমের মৃত্যু

শত শত বাংলাদেশিকে ভারতে পাচার করে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করত এই ‘গুরু মাতা’

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১৭/১০/২০২৫ ১১:৩০ এএম

জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে গত ৩০ বছর ধরে ভারতে বসবাস করা এক বাংলাদেশি রূপান্তরকামী, যিনি ‘গুরু মাতা’ নামে পরিচিত, গ্রেফতার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) মুম্বাই পুলিশ তাকে আটক করে। অভিযুক্তের নাম বাবু আয়ান খান, ওরফে জ্যোতি। মুম্বাই পুলিশের দাবি, জ্যোতির সাহায্যে পাচার হয়ে ভারতে আসা বাংলাদেশির সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেফতারকৃত জ্যোতি মুম্বাইয়ের ট্রান্সজেন্ডারদের কাছে ‘গুরু মাতা’ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি একজন আধ্যাত্মিক নারী হিসেবে নিজের ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছিলেন এবং শহরের বিভিন্ন এলাকায় তার প্রায় ৩০০ অনুগামী ছড়িয়ে রয়েছে।

মুম্বাই পুলিশ জানায়, জ্যোতি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করার জন্য জাল জন্ম সনদ, আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড তৈরি করেছিলেন। সম্প্রতি পুলিশের যাচাইয়ে এসব নথিপত্র জাল প্রমাণিত হয় এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গুরু মাতা’র পাচারকারী নেটওয়ার্ক পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশিদের অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের সুযোগ করাত। ভারতে প্রবেশের পর তাদের কয়েকদিন কলকাতায় রাখা হতো, সেখানে জন্ম সনদ ও স্কুল ছাড়ার সার্টিফিকেট তৈরি করা হতো। এরপর তাদের মুম্বাইয়ের শিবাজি নগরে নিয়ে আসা হতো, প্রতি ঘরে ৩-৪ জন বাংলাদেশি থাকত এবং তারা ‘গুরু মাতা’-কে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাড়া দিত।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, পাচার করা বাংলাদেশিদের অনেককেই তিনি পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করেছিলেন।

মুম্বাই পুলিশ আরও জানায়, জ্যোতি MHADA অধীনে নিবন্ধিত ফ্ল্যাট দখলে জড়িত ছিলেন। তিনি ২০০টিরও বেশি বাড়ি দখল করেন এবং সেগুলো ভাড়া দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতেন।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com