1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
পুলিশ দেখে ইয়াবা ফেলে পালাল কারবারি, উখিয়ায় উদ্ধার ২ লাখ ইয়াবা ৬ মাসে সরকারের বিরুদ্ধে অপতথ্য প্রচার হয়েছে ৪৬৪টি : জাহেদ উর রহমান প্রেমিকের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে বিচার চেয়েছিলো সুমাইয়া কক্সবাজারের বিশিষ্ট পীর ও আলেম শাহসূফি আলহাজ্ব আলিমুদ্দিন ফকির আর নেই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না ৮ শ্রেণির মানুষ: নীতিমালা জারি খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় উখিয়ার যুবকের মৃত্যু মহানবীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি, কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার সেই অনিক স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি নাফ নদীতে অভিযান: ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৩ একাধিক মামলার পলাতক আসামী ফদনার ডেইলের কালু গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরায় পৃথক স্থান থেকে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১৯/০৬/২০২৬ ৮:২৩ পিএম

সাতক্ষীরার সদর, কলারোয়া ও আশাশুনি উপজেলার পৃথক তিনটি স্থান থেকে তিন ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার সকালে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর বেড়বাড়ি গ্রামে নিজ ঘরের ভেতর গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় অমিত হাসান (২৫) নামে এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মোসলেম সরদারের ছেলে।

সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, “অমিত অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিলেন। এতে তিনি ঋণের বোঝায় জড়িয়ে পড়েন এবং পরবর্তীতে মাদকাসক্ত হয়ে ওঠেন।”

ময়নাতদন্ত শেষে তার মৃত্যুর কারণ বলা যাবে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।

অন্যদিকে কলারোয়া উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের জালালাবাদ গ্রামের একটি মোবাইল টাওয়ারের পাশে মেহেদী হাসান (৩০) নামে এক যুবকের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।

কলারোয়া থানার ওসি মো. শাহিন বলছেন, “আলামত দেখে প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। দুর্বৃত্তরা অন্য কোথাও হত্যা করে মরদেহ টেনে-হিঁচড়ে এনে মোবাইল টাওয়ারের নিচে ফলে রেখে গেছে।”

নিহত মেহেদী হাসান উপজেলার কয়লা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে এবং পেশায় একজন মধু ব্যবসায়ী ছিলেন। এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।

আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের বেউলা লম্বাডাঙ্গা খাল থেকে আব্দুর রহিম (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি উপজেলার শ্বেতপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং ফরিদ উদ্দীনের ছেলে।

আশাশুনি থানার ওসি শামীম আহমেদ খান বলেন, “আব্দুর রহিম প্রায় ১৪ বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছিলেন। এ কারণে অধিকাংশ সময় তাকে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হতো।

“তবে তিনি ভোরে নামাজ আদায়ের জন্য বাড়ি থেকে বের হতেন। শুক্রবার ভোরেও তিনি নামাজ পড়তে বের হন।”

পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানান তিনি।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com