1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী আমাকে দেখলে তো লোকে সংবিধান বলে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশি স্বামী-স্ত্রী নন, সুইটিকে চেনেই না নজরুলের পরিবার নেশার টাকা না পেয়ে মাকে জবাই করে হত্যা করলেন ছেলে কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন: অভিযুক্ত জামায়াত নেতা বললেন, ‘একটু শাসন করা হয়েছে’ কক্সবাজারে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় সেই রাজুর ৩ দিনের রিমান্ড ছাত্রলীগের কমিটিতে জামায়াত নেতার ছেলের নাম, বললেন ‘আগে জানলে ত্যাজ্য করতাম’ রাষ্ট্রপতির সহকারী প্রেস সচিব হলেন কাজী রাকিব রোহিঙ্গাদের ৪৬ কোটি পাউন্ডেরও বেশি সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক চলতি অর্থবছরে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন হবে: ইসি মাছউদ

রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ১ কোটি ১২ লাখ ডলার অনুদান দেবে যুক্তরাজ্য-কাতার

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৮/১২/২০২৫ ৫:০১ এএম

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া ছয় লাখ ৪৭ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা ও তাদেরকে আশ্রয় দেওয়া স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মানবিক সহায়তা ও পরিবেশ সুরক্ষা জোরদারে যুক্তরাজ্য ও কাতার যৌথভাবে ১১ দশমিক ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা ঘোষণা করেছে।

রোববার (৭ ডিসেম্বর) ঢাকার ব্রিটিশ হাইকমিশনের দেয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, মানবিক প্রচেষ্টা জোরদার করার জন্য কাতারের সঙ্গে অংশীদারিত্ব করতে পেরে যুক্তরাজ্য গর্বিত। বাংলাদেশের কক্সবাজারে ৬ লাখ ৪৭ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং আশ্রয়দাতা সম্প্রদায়কে সহায়তা করার জন্য যৌথভাবে ১১.২ মিলিয়ন ডলার তহবিল ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ ও কাতার।

আরও উল্লেখ করা হয়, এই যৌথ সহায়তার মাধ্যমে ক্যাম্পে বসবাসরত ঝুঁকিপূর্ণ রোহিঙ্গা পরিবারগুলোর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং শরণার্থী শিবির ও আশপাশের এলাকায় পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি কমাতে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহ করা হবে।

বিবৃতিতে দুই দেশের বরাত দিয়ে আরও বলা হয়, ‘আমরা একসঙ্গে নিরাপদ, স্বাস্থ্যকর ও আরও টেকসই সম্প্রদায় গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ এলপিজি সরবরাহের ফলে জ্বালানি কাঠের ওপর নির্ভরতা কমবে—বিবৃতিতে এমন আশাবাদ প্রকাশ করা হয়। গত কয়েক বছরে জ্বালানি কাঠের উচ্চ চাহিদার কারণে আশপাশের এলাকায় ব্যাপক বন উজাড়ের ঘটনা ঘটেছে।

২০১৭ সালে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের আগমনের পর থেকে কক্সবাজার বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর আবাসস্থল হিসেবে রয়ে গেছে।

 

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com