1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
২৮ কেজি গাঁজাসহ রামুতে ৩ রোহিঙ্গা গ্রেফতার অগ্নিকান্ডের ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি : ৫ কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন টুপটুপ রিসোর্টে ছিল না অগ্নিনিরাপত্তার লাইসেন্স, জুনে সতর্ক করা হয়েছিল বান্দরবানে ধর্ষণের অভিযোগে এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার সব হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজের লাইব্রেরিতে জিয়া-খালেদা জিয়ার বই রাখার নির্দেশ উখিয়ার চাঞ্চল্যকর হুমায়ুন হত্যা মামলার আসামি আলী আহমদ গ্রেফতার টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের পর মালিক নিয়াজ মোর্শেদ ও অন্যতম মালিক তানভীর লাপাত্তা টুপটুপ রিসোর্টের আগুনে পুড়ে মারা গেলো একই পরিবারের ৬জন নিহতদের মধ্যে একজন ছিলেন ছাত্রদল নেতা ফয়সালের স্ত্রী কক্সবাজারের উখিয়ায় রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ঢাবি শিক্ষার্থী নাফিজ তেহামীসহ ৬ জনই একই পরিবারের

আরাকান আর্মির জন্য অস্ত্র পাচারকালে গ্রেফতার ৩

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১৮/১২/২০২৫ ১১:৪৪ এএম

কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মিয়ানমারের আরাকান আর্মির জন্য পাচারকালে বিপুল আগ্নেয়াস্ত্রের সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মিনি পিকআপসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে রামু থানা পুলিশ।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ২টার দিকে রামু উপজেলার জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের চা বাগান-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের মাথায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন— নাইক্ষংছড়ি সদর ইউনিয়নের কম্বনিয়া গ্রামের নুরুল আলমের পুত্র মো. শাহজাহান (২৫), একই ইউনিয়নের আশারতলী গ্রামের বদিউজ্জামানের পুত্র মো. ইলিয়াছ এবং একই ইউনিয়নের ঘিলাতলী এলাকার এম. এ. সামাদের পুত্র আতিকুর রহমান (২৫)।

পুলিশ জানায়, মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর (আরাকান আর্মি) জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের সরঞ্জাম নিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি রামু হয়ে নাইক্ষংছড়ির দিকে যাচ্ছিল, এমন তথ্যের ভিত্তিতেই রামুর জোয়ারিয়ানালা ইউনিয়নের চা বাগান-নাইক্ষ্যংছড়ি সড়কের মাথায় অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করে রামু থানা পুলিশ।

এ সময় চেকপোস্ট অতিক্রমকালে একটি মিনি ট্রাক থামার সংকেত দিলে গাড়ির চালক পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করে। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে ৩২টি সাদা প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর থেকে মোট ১ হাজার ৬০০ পিস বাউন্ডলি (ভারী আগ্নেয়াস্ত্রের ম্যাগাজিন রাখার প্রসেস) উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা স্বীকার করেছে- এসব বাউন্ডলি মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থানরত সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে সরবরাহের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল।

রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভুঁইয়া জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ও অজ্ঞাতনামা আসামিরা সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে অস্ত্র সরঞ্জাম সরবরাহের মাধ্যমে বাংলাদেশের জননিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল। এ ঘটনায় রামু থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com