1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ

বদলির আদেশ জারি হলেও বনবিভাগের ড্রাইভার এখনো বহাল তবিয়তে

✍️ মোহাম্মদ ইব্রাহিম মোস্তফা •

প্রকাশিত: ২৪/১২/২০২৫ ৭:২৫ এএম

দুর্নীতির দায়ে বদলির আদেশ জারি হলেও বহাল তবিয়তে আছেন কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের গাড়িচালক রঞ্জন কুমার মজুমদার। গত ১০ ডিসেম্বর বনসংরক্ষক ড. মোল্যা রেজাউল করিমের স্বাক্ষরিত আদেশে রঞ্জন কুমার মজুমদারকে বদলি করা হয়। তবে বদলির আদেশ জারির প্রায় দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগে সরকারি গাড়িচালকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

এর আগে, গত ৮ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (টেকনাফ ও উখিয়া) দায়িত্বপ্রাপ্ত মো. মনিরুল ইসলামকে প্রধান করে ওই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

তার বিরুদ্ধে পাহাড় কাটা, গাছ কাটা, বালু উত্তোলন, অবৈধ ফার্নিচার কারবারিদের ‘লাইন পাস’ দেওয়াসহ বিভিন্ন দুর্নীতি ও অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ গত ৬ ডিসেম্বর আমার দেশ-এ সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

বনবিভাগের অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, রঞ্জন কুমার মজুমদার প্রায় ১৭ বছর ধরে দক্ষিণ বন বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তার গাড়িচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দীর্ঘ সময় একই এলাকায় দায়িত্ব পালনের সুবাদে জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের সক্রিয় চোরাচালানি, কাঠ ও বালু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে বলে দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, বিভাগীয় কোনো অভিযান পরিচালনার আগেই তিনি সংশ্লিষ্ট অবৈধ ব্যবসায়ীদের গোপন তথ্য দিয়ে সতর্ক করে দেন, ফলে অনেক অভিযান ব্যর্থ হয়ে যায়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত গাড়িচালক রঞ্জন কুমার মজুমদার মুঠোফোনে বলেন, আমি এখনো অফিস করছি। অফিস থেকে যেতে বললে আমি যাবো। তদন্তও চলমান আছে তাতে সমস্যা কি।

তদন্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদকের সঙ্গে উত্তেজিত ভঙ্গিতে কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, এটি কখন দেব বা দেব না—সেটি আমাদের বিষয়। তিনি আরও দাবি করেন, নিউজের প্রতিবেদককে চিঠি পাঠানো হয়েছিল, তবে প্রতিবেদক উপস্থিত হননি। প্রতিবেদক চিঠি পাননি জানালে তিনি পাল্টা জবাবে বলেন, অনেকেই এই নিউজ করেছে, তাদের সবাইকে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

তবে, এই বিষয়ে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার উখিয়া প্রতিনিধির কাছে তদন্ত দপ্তর থেকে কোনো ধরনের চিঠি পাঠানো হয়নি। তারা ভুয়া ঠিকানায় চিঠি ইস্যু করে গড়িমসি করে গাড়গাড়িচালক রঞ্জন কুমার মজুমদারের পক্ষে তদন্ত রিপোর্ট দেওয়ার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন৷

এ প্রসঙ্গে কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল-মামুনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও কোনো মন্তব্য করতে নারাজ।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com