1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
মুছে ফেলেছিলেন আসল পরিচয়, একটি ভুলই তার ছদ্মবেশের অবসান ঘটে জিয়ার খুনি মোজাফফরের রাজাপালং ভেঙে হচ্ছে ‘উয়ালাপালং’ ইউনিয়ন, গণশুনানির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ একসঙ্গে মরার সিদ্ধান্ত নিয়ে যমুনায় ঝাঁপ দিলেন প্রেমিক, পালিয়ে গেলেন প্রেমিকা চকরিয়ার বন্যকবলিত এলাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী/ সরকার সবসময় জনগণের পাশে থাকবে নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম অস্ত্রসহ আটকের পর যুবদল নেতা আয়াত উল্লাহ হুমাইনী বহিষ্কার ইষ্ট বেকারের জ্যাম-ফিল্ড ব্রেডে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বিক্রি বন্ধের নির্দেশ অভিযানের তথ্য ফাঁস করায় সোর্সকে কারাদণ্ড জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনক্ষোভের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতি মিয়ানমারের উপকূলে দুটি নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক মৃত্যুর শঙ্কা

গুমের অপরাধে র‍্যাব জড়িত ২৫ শতাংশ, পুলিশ ২৩ শতাংশ: গুম তদন্ত কমিশন

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৫/০১/২০২৬ ১:১৮ পিএম

গত ১৭ বছরে দেশে সংঘটিত গুমের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জড়িত থাকার ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে জাতীয় গুম কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) গুলশানে গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সার্বিক বিষয় তুলে ধরেন কমিশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মাইনুল ইসলাম চৌধুরী। এরআগে, রোববার (৪ জানুয়ারি) গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারি প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।

ব্রিফিংয়ে গুমের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জড়িত থাকার তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, প্রায় ২৫ শতাংশ গুমের অভিযোগে র‍্যাব জড়িত, এরপর পুলিশ ২৩ শতাংশ। এছাড়াও ডিবি, সিটিটিসি, ডিজিএফআই ও এনএসআই ব্যাপকহারে গুম করেছে। আর সর্বোচ্চ আলামত নষ্ট করা হয়েছে র‍্যাবের।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, প্রায় ২৫ শতাংশ গুমের অভিযোগে র‍্যাব জড়িত, এরপর পুলিশ ২৩ শতাংশ। এছাড়াও ডিবি, সিটিটিসি, ডিজিএফআই ও এনএসআই ব্যাপকহারে গুম করেছে। আর সর্বোচ্চ আলামত নষ্ট করা হয়েছে র‍্যাবের।

গুম কমিশনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বহু ক্ষেত্রে সাদাপোশাকধারী বা প্রশাসনের লোক পরিচয়ে অপহরণ করা হয়েছে। র‍্যাব, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দ্বারা একক ও যৌথ অভিযান সংঘটিত হয়েছে, যা বিচ্ছিন্ন অসদাচরণের পরিবর্তে রাষ্ট্রীয় সমন্বিত কার্যক্রমের ইঙ্গিত দেয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে আনা গুমের অভিযোগগুলোর তদন্তক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পৃথকভাবে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

কমিশন জানায়, মোট এক হাজার ৫৬৯টি অভিযোগ কমিশনের সক্রিয় বিবেচনায় ছিল, এরমধ্যে ২৫১ জন নিখোঁজ ও ৩৬ জনের গুম পরবর্তী লাশ উদ্ধার হয়। তদন্ত চলাকালে মোট ২২২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পাশাপাশি ৭৬৫ জন গুমের শিকার ও তাদের পরিবারের সদস্যদের একাধিকবার সাক্ষাৎকার নেয়া হয়।

এদিকে কমিশনের রিপোর্টের আলোকে গৃহীত পদক্ষেপ ও অগ্রগতি বিষয়ে আগামী ছয় মাসের মধ্যে মানবাধিকার কমিশনকে জানাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

কমিশন বিভিন্ন সরকারি সংস্থার নথি ও তথ্য পর্যালোচনা, পরিদর্শন ও যাচাই বাছাই করাসহ স্বীকৃত ও গোপন উভয় ধরনের ৪০টি আটক কেন্দ্রও পরিদর্শন করেছে বলেও ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।

ব্রিফিংয়ে গুম সংক্রান্ত কমিশন অব ইনকোয়ারির অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com