1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
চাকরি হারাচ্ছেন যে ৩৩ এসপি চীনা করিডোর: মিয়ানমারের গৃহযুদ্ধ ও ভারতের টেনশন প্রধান বাধা অপরাধ প্রমাণিত হলে নিষিদ্ধ হতে পারে আ.লীগ: চিফ প্রসিকিউটর ব্রাজিল বিদায় নেবে, ভবিষ্যদ্বাণী করলেন ক্রিস সাটন ভিক্ষা করে ৭০ টাকা দিয়েছিলেন নির্বাচনী তহবিলে, বদলে পেলেন নতুন ঘর সরকারি অনুষ্ঠানের ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা এবার ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনিজুয়েলার পাশে দাঁড়ালেন মেসি নতুন কর্মপরিকল্পনা: টেকনাফকে অপরাধ মুক্ত করতে বার্তা এমপি শাহজাহান চৌধুরীর ফেরার কথা বলে আ.লীগের নেতাকর্মীদের বিপদে ফেলার আরেকটি ভণ্ডামি করছেন হাসিনা: সোহেল তাজ টেকনাফ পৌর বিএনপির ৩১ সদস্যের কমিটি ঘোষনা, আহবায়ক রাজ্জাক- সদস্য সচিব এনামুল

নিখোঁজ এনসিপি সদস্য ওয়াসিমের সন্ধান মিলল মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৭/০১/২০২৬ ১১:৪১ এএম

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’ পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগের তিন দিন পর মো. ওয়াসিম আহমেদ মুকছানের (৪০) সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। তবে কোনো বাহিনী নয়, বরং মাদকাসক্তির কারণে পরিবারের সদস্যরাই তাঁকে গোপনে একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করেছিলেন বলে দাবি করেছে পুলিশ। তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, গতকাল মঙ্গলবার কদমতলী থানাধীন মেরাজনগর এলাকার একটি নিরাময় কেন্দ্র থেকে তাঁকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

গত শনিবার (৪ জানুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে কদমতলীর রাজাবাড়ী আলী বহর এলাকার বাসা থেকে ৫-৬ জন ব্যক্তি নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে ওয়াসিমকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন তাঁর স্ত্রী শারমিন আক্তার টুম্পা। ওই দিনই তিনি কদমতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, জিডির পর কদমতলী থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে। পুলিশের একটি দল তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারে যে, নিখোঁজ ওয়াসিম কোনো বাহিনীর হাতে নয়, বরং একটি মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে রয়েছেন।

তদন্তের বরাত দিয়ে পুলিশ দাবি করেছে, ওয়াসিম ও তাঁর স্ত্রী পরিবার থেকে আলাদা ভাড়া বাসায় থাকতেন। ওয়াসিমের দীর্ঘদিনের মাদকাসক্তির কারণে তাঁর পরিবার অতিষ্ঠ ছিল। ফলে তাঁর পরিবারের সম্মতিক্রমে ছোট ভাই রাকিব তাঁকে স্ত্রীর অগোচরেই ওই দিন ভোরে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করান। ভোরে মাদকাসক্ত রোগীদের নিরাময় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া সহজ হয় বলেই তাঁরা এই সময়টি বেছে নিয়েছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয় দেওয়ার কোনো সত্যতা পুলিশ পায়নি।

উদ্ধারের পর মঙ্গলবার বিকেলেই ওয়াসিমকে তাঁর স্ত্রীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের উপস্থিতিতে স্ত্রী শারমিন আক্তার টুম্পার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com