কক্সবাজারে রামু গোয়ালিয়া অস্থায়ী চেকপোস্টে অভিযান চালিয়ে ৮ হাজার পিস ইয়াবা বড়িসহ দোয়েল কার চালক ও মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদককে আটক করেছে রামু ৩০ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। জব্দ করা হয়েছে পাচারকাজে ব্যবহৃত পরিবহনটি।
আটক ব্যক্তিরা হলেন- টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নতুন পল্লান পাড়া এলাকার মো. রফিক (৩৫) এবং টেকনাফ পৌরসভার ডেইল পাড়া এলাকার মো. শহিদুল ইসলাম (৩৫)। শহিদুল ইসলাম টেকনাফ শাপলা চত্বর রেন্ট কার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক।
পুলিশ সূত্র বলছে, শহিদউল ইসলাম একজন চিহ্নিত মাদক কারবারী। তার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় বেশ কয়েকটি মাদক মামলা রয়েছে।
রামু ৩০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মো. কবির হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্ট থেকে আনুমানিক ২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে গোয়ালিয়া অস্থায়ী চেকপোস্টে এসব মাদকসহ তাদের আটক করা হয়েছে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পরিবহন চালক ও যাত্রী কোনো ধরনের অবৈধ বস্তু বহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। পরে গাড়ির ড্যাশবোর্ডের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৮ হাজার পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় কয়েকটি সূত্রের দাবী, শহীদুল ইসলাম কক্সবাজার যাওয়ার জন্য পরিবহনটি ভাড়া করেন। গাড়িতে উঠার পর ড্রাইভারকে কৌশলে পান-সিগারেটের জন্য পাঠিয়ে সেই সুযোগে মাদকের চালানটি গাড়ির ড্যাশবোর্ডে ঢুকিয়ে রাখে।
ধৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করে জব্দকৃত পরিবহনটিসহ রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিজিবির এই কর্মকর্তা।
এদিকে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের যাত্রীবাহি দোয়েল কার, সাম্পান ও দূর পাল্লায় ভাড়া চালিত সকল রেন্ট-এ কার গুলোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারে অভিযোগ বেশ পুরানো। এই পরিবহন গুলোর অধিকাংশ মালিক, চালক ও লাইন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা মাদক কারবারের সাথে সরাসরি জড়িত। বিভিন্ন সময় চালক ও মালিকের যোগসাজসে মাদকের চালান পাচার করতে গিয়ে নিরিহ যাত্রী আটক ও মামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।