1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
২৪ এর রাজাকারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিলো ৭১ এর রাজাকার : রাশেদ খাঁন জুলাইয়ে ওয়াসিম হত্যা মামলার আসামি এখন চট্টগ্রাম এনসিপির শীর্ষ নেতা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সংবিধান সংশোধনবিষয়ক বিশেষ কমিটির দশম বৈঠক অনুষ্ঠিত ভারতে ইসলামি পারিবারিক আইন রক্ষায় মুসলিমদের স্বাক্ষর সংগ্রহ অভিযান মানবপাচার ও মাদকপাচার একই সূত্রে গাঁথা: ইউএনও টেকনাফ ইসলামে যেহেতু জন্মদিন করার রীতি নেই, সেটা মেনে চলার চেষ্টা করি: চিত্রনায়িকা মৌসুমী নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ, এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে ইসিতে আবেদন জাকির নায়েককে ভারতে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাল মালয়েশিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রশাসনের মৌখিক নিষেধাজ্ঞা, ছদ্মবেশে মাহফিলে গেলেন তাহেরী আগামী বছর জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ: প্রধানমন্ত্রী

জুলাইয়ে ওয়াসিম হত্যা মামলার আসামি এখন চট্টগ্রাম এনসিপির শীর্ষ নেতা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৩/১১/২০২৬ ১০:০৬ পিএম

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে চট্টগ্রামে প্রথম শহীদ হওয়া ছাত্রদল নেতা মো. ওয়াসিম আকরাম হত্যা মামলার এক আসামি এখন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক। তার নাম জিয়া রনি।

পুলিশি নথিতে তার নাম একেএম জিয়াউদ্দিন। একাধিক নথি পর্যালোচনা করে দুই নামে একই ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশের নথি অনুযায়ী, ওয়াসিম হত্যা মামলায় ২০২৫ সালের ২৩ জুন একেএম জিয়াউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

চলতি বছরের ১৪ মে ঘোষিত এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটিতে তাকে যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দলটির প্রকাশিত কমিটির তালিকাতেও জিয়া রনির নাম রয়েছে।

২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রামের মুরাদপুর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরাম।

ওই দিন বারকোড রেস্টুরেন্টের সামনে আন্দোলন চলাকালে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ওয়াসিম হত্যার ঘটনায় ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট তার মা মোসাম্মৎ জোসনা আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলাটির নম্বর ১৮।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৪ জুন এজাহারভুক্ত আসামিসহ চারজনকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে হাজির করে পুলিশ।

তাদের মধ্যে ছিলেন আশরাফ চৌধুরী মুন্না, আরিফ শওকত, সজিব হাসাম ও একেএম জিয়াউদ্দিন (৪৪)। প্রথম তিনজনের নাম এজাহারে থাকলেও জিয়াউদ্দিনের নাম ছিল না। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশের চালান নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

পুলিশের প্রতিবেদনে জিয়াউদ্দিনকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক ২৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুস সবুর লিটনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।

পরদিন, ২৬ জুন জিয়াউদ্দিনকে আদালতে হাজির করে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। রিমান্ড আবেদনে তার বিস্তারিত পরিচয় উল্লেখ করা হয়। সেখানে বলা হয়, তিনি চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানার ফরিদারপাড়া এলাকার নজু মিয়া মহলের আবুল কালাম সামশুদ্দিনের ছেলে।

মামলার নথিতে ওয়াসিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই মুরাদপুরের বারকোড রেস্টুরেন্টের সামনে ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলছিল। এ সময় পূর্বপরিকল্পিতভাবে এবং সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় আসামিরা সশস্ত্র হামলা চালান। তারা গুলিবর্ষণ ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটান। একপর্যায়ে আসামিদের ছোড়া গুলি ওয়াসিমের পেটে লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তবে এই হত্যাকাণ্ডে জিয়াউদ্দিনের সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী ছিল, তা তদন্ত কর্মকর্তার বক্তব্য থেকে জানা যায়নি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাঁচলাইশ থানার উপপরিদর্শক নুরুজ্জামানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘তদন্তাধীন বিষয়ে কথা বলতে চাই না।’

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৭ জুলাই ফৌজদারি বিবিধ (মিস) মামলা নম্বর ৪৫২৫/২৫-এর আদেশে জিয়াউদ্দিন জামিন পান। পুলিশ রিপোর্ট জমা দেওয়া পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করা হয়। বর্তমানে তিনি ওই মামলায় নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছেন।

মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া অন্য আসামিদের মধ্যে কারা জামিনে আছেন, জানতে চাইলে তদন্ত কর্মকর্তা নুরুজ্জামান বলেন, ‘এই মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের কারা জামিনে আছেন, এ বিষয়ে আমার কাছে তথ্য নেই। জামিনের কাগজ আমাদের কাছে আসে না।’

সূত্র: কালের কন্ঠ

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com