1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
তাজমিনের মৃত্যু :রাজুর বিরুদ্ধে মামলা রেকর্ডের নির্দেশ আদালতের উখিয়ায় ক্রিকেটার বাছাই করবে বিসিবি এমপি শাহজাহান চৌধুরীসহ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনে সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে: রাষ্ট্রপতি তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে বিশেষ নিরাপত্তা ও প্রটোকল পাচ্ছেন ড. ইউনূস প্রথম বিয়ের তথ্য জেনে যাওয়ায় দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যা করেন রাজু, লাশ ফেলে দেন নদীতে সৌদিআরবে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায়ে দুই বাংলাদেশীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে প্রতিবছর ৩০ হাজারেরও বেশি শিশুর জন্ম হচ্ছে বিএনপির অতীতের সাফল্য রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে নতুন উদ্যোগের অনুপ্রেরণা’ বিকাশের দোকানের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা:অতঃপর আটক সাহিত্যিকা পল্লীর মিজান

উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মা-মেয়েকে অজ্ঞান করে ধর্ষণ, আটক ২

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২২/০৭/২০২৫ ৯:০৭ এএম

কক্সবাজারের উখিয়ার বালুখালী ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মা ও মেয়েকে অজ্ঞান করে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে দুই রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করেছে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

 

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ক্যাম্পের ব্লক-বি এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

 

আটককৃতরা হলেন- উখিয়ার ১৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বি ব্লক এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ হোসেনের ছেলে হাবিব উল্লাহ (৫০) এবং মোঃ হোসেনের ছেলে মোঃ হাবিব উল্লাহ (১৯)।

 

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ জুলাই সকাল ৮টার দিকে অভিযুক্তরা ভিকটিম মা ও মেয়েকে কৌশলে নিজ ঘরে ডেকে নেয়। পরে জুসের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে অজ্ঞান করে তাদের উপর পালাক্রমে যৌন নির্যাতন চালায়। পরদিন ১৮ জুলাই সকালে স্থানীয়রা ব্লক-বি এলাকার একটি ঘর থেকে ভিকটিমদের অচেতন ও অর্ধনগ্ন অবস্থায় উদ্ধার করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে এমএসএফ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে।

ঘটনার পরপরই ক্যাম্পজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি জানতে পেরে ১৪ এপিবিএন গোয়েন্দা টিম দ্রুত তদন্তে নামে এবং অভিযুক্তদের শনাক্ত করে আটক করে।

এ প্রসঙ্গে উখিয়া ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমীন বলেন, এই জঘন্য ঘটনার পর আমরা দ্রুত গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার করি এবং অভিযুক্তদের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আটক করি। ক্যাম্পে নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। এ ধরনের ঘৃণিত অপরাধে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

আটকদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শেষে উখিয়া থানায় নিয়মিত মামলা রুজুর কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com