1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ১৫৫ কোটি টাকা দিলো অস্ট্রেলিয়া বাস্তবেও মন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ মিঠুন জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা হলেন সুফিউর রহমান দেশবিরোধী চুক্তির বিরুদ্ধে লেখালেখিই ছিল আবরারের অপরাধ: বাবা শাহপরীর দ্বীপে সাড়ে চার কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার সেন্টমার্টিনে খতনার পর অসুস্থ হওয়া শিশুদের চিকিৎসা দিলো সরকারি মেডিকেল টিম প্রবাসীদের পরিবার নিয়ে সৌদি থাকার সুযোগ আবেগঘন স্ট্যাটাস :সহধর্মিণীর আরোগ্য কামনায় দোয়া চাইলেন এমপি কাজল সেন্টমার্টিনে ফ্রি খতনা ক্যাম্প, ৫০ শিশু অসুস্থ হওয়ায় দ্বীপ ছেড়ে পালালো আয়োজক রাষ্ট্রপতির সিল-স্বাক্ষর জাল করে মাদ্রাসার কমিটি অনুমোদনের চেষ্টা, গ্রেফতার ২

দেশবিরোধী চুক্তির বিরুদ্ধে লেখালেখিই ছিল আবরারের অপরাধ: বাবা

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০৭/১০/২০২৬ ৮:১৭ পিএম

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের কারণ হিসেবে তৎকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা করে তার লেখালেখির বিষয়টি তুলে ধরেছেন আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের নিচতলায় আজ বুধবার অ্যাসেম্বলি অ্যাসোসিয়েশনের অডিটোরিয়ামে ছাত্রদল আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি কথা বলেন ।

বরকত উল্লাহ বলেন, সেই সময়ের ফ্যাসিস্ট সরকার দেশবিরোধী বেশ কিছু চুক্তি করেছিল। সেই চুক্তির বিরুদ্ধে আবরার তার লেখনীর মাধ্যমে দেশবাসীকে অবহিত করেছিল। এটাই ছিল তার অপরাধ। আবরারের লেখায় তৎকালীন সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের সমালোচনা ছিল। বিশেষ করে ফেনী নদীর পানি এবং ভারতে ইলিশ রপ্তানির বিষয়টি নিয়ে সে লিখেছিল।

আবরার হত্যার দিনের স্মৃতিচারণ করে তার বাবা বলেন, হত্যাকাণ্ডের দিন সকালে তার মা আবরারকে বাসে তুলে দিয়েছিলেন। পরে রাতে তাকে ঘুম থেকে তুলে দীর্ঘ সময় ধরে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়।

তিনি বলেন, ‘সেদিন সকালে তার মা তাকে বাসে উঠিয়ে দিয়েছিল। বিকেল ৫টার দিকে সে ঘুমিয়ে পড়েছিল। তাকে ঘুম থেকে উঠিয়ে প্রায় পাঁচ-ছয় ঘণ্টা পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়।’

আবরারের বাবা বলেন, তার সন্তানকে হত্যার সাত বছর পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় রয়েছেন। একই সঙ্গে বুয়েটসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতন ও র‌্যাগিং সংস্কৃতি বন্ধের দাবি জানান তিনি।

বরকত উল্লাহ বলেন, ক্যাম্পাসে যেন আর কোনো শিক্ষার্থী র‌্যাগিং বা নির্যাতনের শিকার না হয়, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে যে র‌্যাগিং কালচার ছিল, তা যেন আর না থাকে। কোনো শিক্ষার্থীকে যেন এ ধরনের নির্যাতনের শিকার হতে না হয়।’

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com