উখিয়া উপজেলার প্রধান স্টেশনগুলো—মরিচ্যা বাজার, কোটবাজার, উখিয়া সদর, কুতুপালং, বালুখালী থেকে শুরু করে পালংখালী পর্যন্ত—একই চিত্র। যানবাহনের তীব্র ভিড় আর ফুটপাত দখলের বিশৃঙ্খলায় জনজীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে প্রতিদিন। হাঁটার জায়গা
কক্সবাজারের রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নতুন কার্যালয় উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাত আটটার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিতা কেটে অফিসটির উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির মৎস্য বিষয়ক
কোটবাজার দোকান মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের শপথ ও দায়িত্বভার গ্রহণ শেষে নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন ভোটার, ব্যবসায়ী সমাজ, শুভাকাঙ্ক্ষী ও অতিথিদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, “আপনাদের
দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে পুনরায় চালু হচ্ছে কক্সবাজার–সেন্টমার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল। চলতি মৌসুমে পর্যটকদের জন্য থাকছে রাত্রিযাপনের সুযোগও। তবে সেন্টমার্টিনের পরিবেশ রক্ষায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই
কোটবাজার দোকান মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের নবনির্বাচিত ব্যবস্থাপনা কমিটির শপথ গ্রহণ, দায়িত্বভার গ্রহণ এবং প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সকালে সমিতির নিজস্ব কার্যালয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে এ অনুষ্ঠান আয়োজন
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করতে ২০১৩-১৫ সালে সমীক্ষা চালায় সুইডিশ কনসালট্যান্ট নামে একটি প্রতিষ্ঠান। তাদের সমীক্ষা প্রতিবেদনে এ কাজের জন্য প্রাক্কলন ব্যয় ধরা হয়েছিল ১০ হাজার কোটি টাকা। পরবর্তী
কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশ রামুর রাবারবাগান এলাকায় একটি যাত্রীবাহী “ইউরো কোচ” বাসে অভিযান চালিয়ে ৯০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে। শুক্রবার রাত ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে
কক্সবাজারের উখিয়ার গহিন অরণ্যঘেরা পূর্ব সীমান্ত জনপদ করইবনিয়া রাত নামলেই রূপ নেয় ইয়াবার বিশাল পাইকারি বাজারে। প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য, এ বাজারের নিয়ন্ত্রণকারীদের হাতেনাতে পাকড়াও করা। কিন্তু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত আসামি
কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর অধিনায়ক কামরুল হাসানসহ তিন শতাধিক সদস্যকে একযোগে বদলি করা হয়েছে। এটি নিয়মিত বদলির অংশ বলে জানিয়েছে সংস্থাটির মিডিয়া উইং। তবে নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবী, আর্থিক কেলেংকারীতে জড়িয়ে ইয়াবা
কুতুপালং রেজিস্টার্ড রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শরণার্থী আব্দু রহমান নিজের রোহিঙ্গা পরিচয় গোপন রেখে ছেলের জন্য ভুয়া বাংলাদেশী জন্মনিবন্ধন তৈরি করেছেন। তার ছেলে রিদুয়ানের নাম পরিবর্তন করে ‘আব্বাস’ নামে নতুন নিবন্ধন করা