কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাবেক ও বর্তমান সংসদ সদস্যদের সংগঠন আসিয়ান পার্লামেন্টারিয়ান ফর হিউম্যান রাইটস (এপিএইচআর) এর একটি প্রতিনিধি দল। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকালে ১৬ নং
কক্সবাজারের উখিয়ায় দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে সড়কে শৃঙ্খলা হীনতা। ফিটনেসবিহীন গাড়ি, অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন রোহিঙ্গা চালক, আর যত্রতত্র পার্কিংয়ের কারণে দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে উখিয়ার জনবহুল সড়কগুলো। ফলে যানজটের কবলে
বর্তমানে রোহিঙ্গা সমস্যার সম্ভাব্য সমাধান না থাকাকে দেশের জন্য ‘কঠিনতম সংকট’ বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামনে কঠিনতম সঙ্কট হলো, রোহিঙ্গা সমস্যার
নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে মিয়ানমারের নিপীড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যদের সমুদ্রে ফেলে দিচ্ছে ভারত। এমনই অভিযোগ করেছেন ৪০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থী। তাদের অভিযোগ, রাজধানী দিল্লি থেকে আটক করে নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে সাগরে
চট্টগ্রামে রোহিঙ্গা অপহরণকারীর হেফাজত থেকে সাজিয়া সাখাওয়াত স্নিগ্ধা (১৬) নামের এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের
জরুরি অর্থসহায়তা না পেলে আগামী ৩০ নভেম্বরের পর বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গার জন্য খাদ্যসহায়তা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাবে। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) এই হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে,
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) করতে গিয়ে রোকেয়া বেগম নামে এক রোহিঙ্গা নারী আটক হয়েছেন। এ সময় স্বামী পরিচয়দানকারী মো. আনিস নামের আরও একজনকে আটক করেছে পুলিশ। সোমবার (২৫
কক্সবাজারের উখিয়ার ৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আয়োজিত গণহত্যা দিবসের সমাবেশে লাখো রোহিঙ্গা শিশু, নারী ও পুরুষ একসঙ্গে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার দাবি জানায়। তারা বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনী এবং সরকারের পরিকল্পিত নৃশংসতায়
রোহিঙ্গাদের সমস্যার সমাধানে সাত দফা প্রস্তাব পেশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সাত দফা প্রস্তাব করে তিনি বলেছেন, মিয়ানমার সরকার এবং রাখাইন আঞ্চলিক কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করতে হবে, যাতে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রোহিঙ্গাদের জাতিগত নির্মূলের ভয়াবহ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন থেকে সশস্ত্র ঘাতকদের থামানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ২০১৭ সালে রোহিঙ্গাদের মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়া