কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) গত ছয় মাসে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। গত মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১১টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিচালিত দুই শতাধিক
স্বপ্নের মালয়েশিয়া যেতে গিয়ে বাস্তবতার কঠিন মুখোমুখি হতে হলো নারী, পুরুষ ও শিশুসহ শত শত মানুষের। সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় বঙ্গোপসাগর থেকে ২৭৩ জন যাত্রী ও মানবপাচার চক্রের ১০
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ও পরের কয়েকদিন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো সিল করে রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, ভোটের
কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে সন্ত্রাসী কার্যক্রম ক্রমবর্ধমান। এপিবিএনের নিয়মিত অভিযান সত্ত্বেও সন্ত্রাসীরা একে–৪৭সহ ভয়ংকর অস্ত্র নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। তারা চাঁদাবাজি, মাদক ও অস্ত্র বাণিজ্য চালাচ্ছে। গত এক বছরে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গত ছয় মাসে ব্যাপক অভিযান পরিচালনা করেছে ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এ সময়ে ১১টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রায় দুই শতাধিক বিশেষ অভিযান চালিয়ে
কক্সবাজারের টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আগুনের ঘটনা ঘটছে। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ও আলীখালীর ২৪-২৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই আগুনের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আগুন নিয়ন্ত্রণে
তিন ধাপে ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করেছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। এ হিসাবে আগামী ২৫ জানুয়ারি নির্বাচনের তৃতীয় ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ২৮ ডিসেম্বর ও ১১ জানুয়ারি দুই ধাপে মোট
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এক রাতে পৃথক স্থানে ৫ ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের মধুরছড়া ৪ নম্বর রোহিঙ্গা
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে বসবাস করা ৫৫ শতাংশ নারী ও কন্যা শিশু প্রতিনিয়ত সুরক্ষা, শিক্ষা, পুষ্টি ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে। শুধু তা-ই নয়, সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী,
মিয়ানমারের জান্তা আসন্ন সেনা-নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনে জনগণকে ভোট দিতে বাধ্য করতে সহিংসতা চালাচ্ছে এবং ভয়ভীতিও প্রদর্শন করছে। অন্যদিকে মানুষকে ভোট থেকে বিরত রাখতে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোও একই ধরনের কৌশল ব্যবহার করছে। মঙ্গলবার