১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করার সময় স্থানীয় লোকজনের হাতে ধরা পড়েছেন ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার এক জামায়াত নেতা। পরে তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। মোসলেম উদ্দিন (৪২) নামের ওই ব্যক্তি মহেশপুর উপজেলার স্বরুপপুর ইউনিয়নের পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের প্রচার সম্পাদক।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে কুসুমপুর-স্বরুপপুর বহুমুখী দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসার শ্রেণি কক্ষে শিশুকে ধর্ষণ করার সময় মোসলেম উদ্দিনকে বিবস্ত্র অবস্থায় হাতেনাতে আটক করে স্থানীয় লোকজন। অভিযুক্ত মোসলেম একজন মুদি দোকানী। তিনি স্বরুপপুর গ্রামের মৃত ইলাহি বক্সের ছেলে। এলাকার লোকজনের অভিযোগ, বহুদিন ধরে এলাকার নারী ও শিশুদের সাথে অনৈতিক কাজ করে আসছে মোসলেম। এদিকে অভিযুক্ত মোসলেম উদ্দিন নিজেও ধর্ষণের ঘটনা স্বীকার করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ওই শিশুটির কাছে তিনি ২৫০ টাকা পেতেন। সেই টাকার জন্য তিনি মাদ্রাসার একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন এবং এলাকাবাসী তাকে বিবস্ত্র অবস্থায় হাতেনাতে ধরেন।
তবে এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি। ভিকটিমের বাবা পেশার হকার। তার মা অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। পুলিশ বলছে, ভিকটিম ও তার পরিবারকে থানায় আসতে বলা হয়েছে।
মহেশপুর থানার ওসি মো. ফয়েজ উদ্দিন মৃধা বলেন, আমরা ঘটনাটি শুনেছি তবে ধর্ষণের ঘটনা সম্পর্কে এখনও তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। ভিকটিম ও তার পরিবারের সাথে দেখা করতে দুবার তাদের বাড়িতে গিয়ে এখনো কোন যোগাযোগ করতে পারেনি পুলিশ। মোসলেম উদ্দিন নামের লোকটি সরুপপুর ইউনিয়নের পাঁচ নং ওয়ার্ড জামাতের প্রচার সম্পাদক। জনতা তাকে মারধর করে থানার পুলিশ গেলে তারা পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন। জনরোষের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য তাকে থানায় আনা হয়েছে। স্থানীয়রা ভিকটিমের পরিবারকে থানায় নিয়ে আসবেন বলে পুলিশকে জানিয়েছেন। ভিকটিম তার বিরুদ্ধে অভিযোগ বা মামলা দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।