1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
কক্সবাজারে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় সেই রাজুর ৩ দিনের রিমান্ড ছাত্রলীগের কমিটিতে জামায়াত নেতার ছেলের নাম, বললেন ‘আগে জানলে ত্যাজ্য করতাম’ রাষ্ট্রপতির সহকারী প্রেস সচিব হলেন কাজী রাকিব রোহিঙ্গাদের ৪৬ কোটি পাউন্ডেরও বেশি সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাজ্য: ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক চলতি অর্থবছরে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন হবে: ইসি মাছউদ টেকনাফে একনলা বন্দুকসহ ‘ডাকাত’ করিম আটক কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে হচ্ছে কমিটি, নেতৃত্বে থাকবেন ইউএনও-ওসি জুলাইকে ধারণ করে না তাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনে অনুপস্থিত বিরোধীদলীয় নেতা: প্রধানমন্ত্রী ওসমানী উদ্যানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী মালদ্বীপ থেকে আসা দুই যাত্রীর পায়ুপথে মিলল ৬ ‘স্বর্ণের ডিম’

চট্টগ্রাম ডিসি অফিসের নাজিরের নামে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৫/০৯/২০২৫ ৪:২৮ পিএম

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ের নাজির (অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক) মোহাম্মদ জামাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আটজন আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ অভিযোগ দায়ের করে তার ব্যাংক হিসাব জব্দ, বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা এবং বিভাগীয় মামলা শুরুর দাবি আবেদন জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আইনজীবীরা হলেন- সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম. শফিকুল ইসলাম, আজিমুদ্দিন পাটোয়ারী, ইয়াছিন আলফাজ, মহি উদ্দীন, নাদিম মাহমুদ, সৈয়দ ওয়াহিদ, সাইফুল্লাহ খালেদ ও শামীম পাটোয়ারী।

মোহাম্মদ জামাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন, প্রভাব খাটিয়ে পদে বহাল থাকা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারীরা বলেন, জামাল উদ্দীন দীর্ঘদিন ধরে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে সিনিয়রদের উপেক্ষা করে নাজির পদে বহাল রয়েছেন। এসময় তিনি রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় বিপুল অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলেন। দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যমগুলোতে জামালের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, মাত্র ৩০ হাজার টাকা বেতনের এ তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী নগরীর কোর্ট রোডে দেড় কোটি টাকার ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। তার নামে–বেনামে অন্তত ৩৫ থেকে ৪০ কোটি টাকার স্থাবর–অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, এলপিজি গ্যাস এজেন্সি, প্লট–ফ্ল্যাট ও জমিজমা।

তিনি জেলা প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ইটভাটা থেকে মাসোহারা আদায় করতেন। বদলি বাণিজ্যেও লিপ্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগকারীরা জানান, গত বছর দুদক চট্টগ্রামের ছয়টি ভূমি অফিসে চিঠি পাঠিয়ে জামাল উদ্দীন ও তার পরিবারের নামে সম্পদের তথ্য চেয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। এখনই কার্যকর তদন্ত ও ব্যবস্থা না নিলে প্রশাসনের প্রতি জনআস্থা আরও ক্ষুণ্ন হবে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com