1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
৬ মাসে সরকারের বিরুদ্ধে অপতথ্য প্রচার হয়েছে ৪৬৪টি : জাহেদ উর রহমান প্রেমিকের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে বিচার চেয়েছিলো সুমাইয়া কক্সবাজারের বিশিষ্ট পীর ও আলেম শাহসূফি আলহাজ্ব আলিমুদ্দিন ফকির আর নেই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন না ৮ শ্রেণির মানুষ: নীতিমালা জারি খেলা দেখে বাড়ি ফেরার পথে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় উখিয়ার যুবকের মৃত্যু মহানবীকে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি, কক্সবাজার থেকে গ্রেফতার সেই অনিক স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না : রাষ্ট্রপতি নাফ নদীতে অভিযান: ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৩ একাধিক মামলার পলাতক আসামী ফদনার ডেইলের কালু গ্রেপ্তার হাসনাত দুঃখপ্রকাশ না করলে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রোগ্রাম নিষিদ্ধ: রফিকুল মাদানী

চট্টগ্রাম ডিসি অফিসের নাজিরের নামে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৫/০৯/২০২৫ ৪:২৮ পিএম

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ের নাজির (অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক) মোহাম্মদ জামাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আটজন আইনজীবী।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এ অভিযোগ দায়ের করে তার ব্যাংক হিসাব জব্দ, বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা এবং বিভাগীয় মামলা শুরুর দাবি আবেদন জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আইনজীবীরা হলেন- সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম. শফিকুল ইসলাম, আজিমুদ্দিন পাটোয়ারী, ইয়াছিন আলফাজ, মহি উদ্দীন, নাদিম মাহমুদ, সৈয়দ ওয়াহিদ, সাইফুল্লাহ খালেদ ও শামীম পাটোয়ারী।

মোহাম্মদ জামাল উদ্দীনের বিরুদ্ধে নামে-বেনামে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন, প্রভাব খাটিয়ে পদে বহাল থাকা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারীরা বলেন, জামাল উদ্দীন দীর্ঘদিন ধরে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে সিনিয়রদের উপেক্ষা করে নাজির পদে বহাল রয়েছেন। এসময় তিনি রাজনৈতিক প্রভাব ও প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় বিপুল অবৈধ সম্পদ গড়ে তোলেন। দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যমগুলোতে জামালের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, মাত্র ৩০ হাজার টাকা বেতনের এ তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী নগরীর কোর্ট রোডে দেড় কোটি টাকার ফ্ল্যাটে বসবাস করেন। তার নামে–বেনামে অন্তত ৩৫ থেকে ৪০ কোটি টাকার স্থাবর–অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা, এলপিজি গ্যাস এজেন্সি, প্লট–ফ্ল্যাট ও জমিজমা।

তিনি জেলা প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ইটভাটা থেকে মাসোহারা আদায় করতেন। বদলি বাণিজ্যেও লিপ্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগকারীরা জানান, গত বছর দুদক চট্টগ্রামের ছয়টি ভূমি অফিসে চিঠি পাঠিয়ে জামাল উদ্দীন ও তার পরিবারের নামে সম্পদের তথ্য চেয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। এখনই কার্যকর তদন্ত ও ব্যবস্থা না নিলে প্রশাসনের প্রতি জনআস্থা আরও ক্ষুণ্ন হবে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com