1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
বিনামূল্যে স্কুলড্রেস-ব্যাগ-জুতা পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা রামুতে ৩২ লাখ টাকা চুরি ও অপহরণ: নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রধান আসামি গ্রেফতার! পূর্বের মত রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে ট্রাম্প নিজেই হত্যাচেষ্টার নাটক সাজিয়েছেন! অবৈধভাবে রোহিঙ্গাদের নগদ টাকা বিতরণ, তদন্তের মুখে এনজিও সওয়াব ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ৩৭৮১৪ পরিবারকে টাকা দেয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী উখিয়া সীমান্তে পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তায় মিললো ১ লাখ পিস ইয়াবা একদিনে কক্সবাজারে ৮ প্রাণহানি পারমানবিক যুগে প্রবেশ করলো বাংলাদেশ এসএসসির ইংরেজি প্রশ্নে ফুটবলার হামজা চৌধুরী বর্তমান সরকারের আমলে ৪৬৪ হত্যা ও ৬৬৬ ধর্ষণ মামলা হয়েছে

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে ৩৭৮১৪ পরিবারকে টাকা দেয়া হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৯/০৪/২০২৬ ১:৫৯ পিএম

প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারের ‘নারী প্রধানকে’ ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা দেয়া হয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. রবিউল আওয়ালের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি নিরাপদ, বৈষম্যহীন ও জলবায়ু সহিষ্ণু বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে নারী ও শিশুরা হবে টেকসই উন্নয়নের সমঅংশীদার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। নারী ও শিশুদের সার্বিক উন্নয়ন ও কল্যাণ নিশ্চিতকল্পে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায় নানাবিধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- গরিব অসচ্ছল, সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের সাধনের লক্ষ্যে ভালনারেবল উইমেন বেনিফিট (ভিডব্লিউবি) কার্যক্রম; গর্ভবতী মায়ের গর্ভকালীন পুষ্টি এবং শিশুর পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি; মহিলাদের আত্ম-কর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি; নারী উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য বিপণনের লক্ষ্যে জয়িতা ফাউন্ডেশন পরিচালনা ইত্যাদি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে বিভিন্ন আইন এবং বিধিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের পাশাপাশি নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ন্যাশনাল টোল ফ্রি হেল্প লাইন, ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি), ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেল, ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরী, ন্যাশনাল ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টার, মহিলা, শিশু ও কিশোরী হেফাজতীদের নিরাপদ আবাসন কেন্দ্র রয়েছে।

তিনি বলেন, বিদ্যমান মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। এ কর্মসূচিতে প্রাপ্ত আর্থিক সুবিধার পরিমাণ ও উপকারভোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি, কর্মসূচিতে প্রসবপূর্ব এবং প্রসব পরবর্তী সেবা অন্তর্ভুক্ত করা, টিকা ও প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারি অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে মানসম্মত প্রশিক্ষণ, নগদ সহায়তার সঙ্গে জীবিকা সহায়তা যুক্ত করে, শহর ও গ্রামাঞ্চলের জন্য পৃথক গ্রাজুয়েশনভিত্তিক মডেল সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। অধিকসংখ্যক নারী উদ্যোক্তা তৈরি ও নারীদের জন্য বিপণন নেটওয়ার্ক শক্তিশালীকরণের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। এরইমধ্যে নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে প্রাথমিক পর্যায়ে ১৩টি জেলা এবং ৩টি সিটি কর্পোরেশনে ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারের নারী প্রধানকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা দেয়া হয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, শিশুরা দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। শিশুর বিকাশ ও কল্যাণে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ; জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতা আয়োজন; শিশুতোষ চলচ্চিত্র নির্মাণ, দরিদ্র ও দুস্থ শিশুদের প্রাক্-প্রাথমিক ও শিশু বিকাশ কর্মসূচি; অটিজম বিষয়ক সচেতনতামূলক কার্যক্রম; পরিবেশ সংরক্ষণসহ শিশু স্বার্থ সংরক্ষণে নানাবিধ দায়িত্ব পালন করে আসছে। পথশিশু পুনর্বাসন কার্যক্রমের আওতায় ২টি আবাসিক কেন্দ্রের মাধ্যমে বর্তমানে ১৫১ জন শিশুকে আবাসিক ব্যবস্থা, খাবার, শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়। এছাড়াও এ কার্যক্রমের আওতায় ৯টি আউটরিচ স্কুল রয়েছে। কর্মজীবী মায়েদের ৬ মাস হতে ৬ বছর বয়সের শিশুদের দেখভালের জন্য মোট ৬৪টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব দিবাযত্ন কেন্দ্রে সুষম খাবার প্রদান, প্রাক-স্কুল শিক্ষা প্রদান, প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা করা হয় এবং ইনডোর খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে। নারীদের কর্মস্থলে শিশু পরিচর্যা কেন্দ্র (ডে-কেয়ার) স্থাপনের পাশাপাশি, গার্মেন্টসসহ সব শিল্প কারখানা, অফিস ও আদালতে কর্মরত মায়েদের জন্য ‘ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার’ স্থাপনের বিষয়ে নির্বাচনী ইশতেহারে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা ও সম্পদ রক্ষায় সরকার সচেষ্ট রয়েছে। এ লক্ষ্যে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে ভাঙনপ্রবণ স্থানগুলো নিয়মিত তদারকি করা এবং জরুরি প্রয়োজনে দ্রুততার সঙ্গে সংস্কার কাজ পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com