1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
টেকনাফে বিদেশী রাইফেল ও ৩২৭ রাউন্ড গুলিসহ নারী আটক রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিদর্শন কালে ওড়না ও চুল পেঁচিয়ে নারী প্রকৌশলীর মৃত্যু ‘অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী’ জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে ভালো স্থানীয় নির্বাচন করতে চাই: প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাড়া সভা-সমাবেশ ও সমালোচনার অধিকার সবার: আইনমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ে কোরআন প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে সরকার উখিয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচন ৮ সেপ্টেম্বর, তফসিল ঘোষণা আইফোনের কিস্তির চাপে যমুনায় ঝাঁপ দিলেন নৃত্যশিল্পী রোহিঙ্গা সংকটের দায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সম্মিলিতভাবে নিতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ কমিটমেন্টের সফল বাস্তবায়ন হবে: প্রেস সচিব

সোনাদিয়া দ্বীপে সাত লাখ টন ভারী খনিজের সন্ধান

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০২/১১/২০২৫ ১০:০৮ এএম

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার ছোট্ট দ্বীপ সোনাদিয়া (আয়তন ৯ বর্গকিলোমিটার) ম্যানগ্রোভ ও উপকূলীয় বনের সমন্বয়ে গঠিত। দ্বীপে পাওয়া গেছে মূল্যবান ভারী খনিজ ইলমেনাইট, গারনেট, ম্যাগনেটাইট, জিরকন, রুটাইল ও মোনাজাইট, যার পরিমাণ আনুমানিক ৭ লাখ টন। এর মধ্যে গারনেট (৫১.৫২%) ও ইলমেনাইট (৩৮.১৪%) সবচেয়ে বেশি।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক জার্নাল ডিসকভার জিওসায়েন্সে প্রকাশিত গবেষণাটি করেছেন নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চার গবেষক। গবেষণায় দেখা গেছে, গারনেটের মোট মজুত প্রায় ৩ লাখ ৪৩ হাজার টন এবং ইলমেনাইটের ২ লাখ ৬০ হাজার টন। বালিয়াড়ির বালিতে সবচেয়ে বেশি খনিজ ঘনত্ব পাওয়া গেছে।

গারনেট ব্যবহৃত হয় ওয়াটারজেট কাটিং, স্যান্ডব্লাস্টিং, পলিশিং ও পানি পরিশোধনে; রত্নমানের গারনেট গয়নায়ও ব্যবহৃত। ইলমেনাইট থেকে উৎপন্ন টাইটানিয়াম ডাই–অক্সাইড ব্যবহৃত হয় বিমান, মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা শিল্পে। এর বার্ষিক বিশ্ববাজারমূল্য প্রায় ২০ বিলিয়ন ডলার।

তবে ইনস্টিটিউট অব মাইনিং, মিনারেলজি অ্যান্ড মেটালার্জি (আইএমএমএম) মনে করছে, সাত লাখ টন খনিজ “যৎসামান্য”, এবং বাণিজ্যিকভাবে তা উত্তোলন সম্ভব কি না, আরও পরীক্ষা প্রয়োজন। প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, ১৯৮০ সালের গবেষণায় কক্সবাজার উপকূলে ২১ মিলিয়ন টন খনিজের উপস্থিতি ধরা পড়েছিল।

সরকার এখন নদীর বালিকে প্রক্রিয়া করে খনিজ ব্যবহারের প্রকল্প নিচ্ছে—এতে বছরে ২ হাজার কোটি টাকা আয় সম্ভব বলে কর্মকর্তারা জানান। তবে সমুদ্র বা দ্বীপাঞ্চলের বালি নিয়ে এখনই সরকার ভাবছে না।

গবেষণায় বলা হয়, সোনাদিয়ার খনিজগুলো—ইলমেনাইট, রুটাইল, জিরকন, গারনেট, মোনাজাইট, ম্যাগনেটাইট ও কায়ানাইট—সবই শিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সিরামিক ও গয়না শিল্পে ব্যবহৃত হয় এবং বিশ্ববাজারে চাহিদা দ্রুত বাড়ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা মিয়া বলেন, দ্বীপাঞ্চলের এসব খনিজে দামি রেয়ার আর্থ উপাদান থাকার সম্ভাবনা আছে। তাই বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তে সরকারি সংস্থার মাধ্যমে ধীরেসুস্থে গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জরুরি।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com