1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
মুছে ফেলেছিলেন আসল পরিচয়, একটি ভুলই তার ছদ্মবেশের অবসান ঘটে জিয়ার খুনি মোজাফফরের রাজাপালং ভেঙে হচ্ছে ‘উয়ালাপালং’ ইউনিয়ন, গণশুনানির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ একসঙ্গে মরার সিদ্ধান্ত নিয়ে যমুনায় ঝাঁপ দিলেন প্রেমিক, পালিয়ে গেলেন প্রেমিকা চকরিয়ার বন্যকবলিত এলাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী/ সরকার সবসময় জনগণের পাশে থাকবে নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম অস্ত্রসহ আটকের পর যুবদল নেতা আয়াত উল্লাহ হুমাইনী বহিষ্কার ইষ্ট বেকারের জ্যাম-ফিল্ড ব্রেডে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বিক্রি বন্ধের নির্দেশ অভিযানের তথ্য ফাঁস করায় সোর্সকে কারাদণ্ড জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনক্ষোভের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতি মিয়ানমারের উপকূলে দুটি নৌকাডুবি, ৫ শতাধিক মৃত্যুর শঙ্কা

খালেদা-তারেকের বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংক ড্যান্ডি ডায়িং ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা ঋণখেলাপির মামলা প্রত্যাহার

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ২৬/১১/২০২৫ ১:৪৮ পিএম

ড্যান্ডি ডায়িংয়ের বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংকের ৪৫ কোটি টাকার ঋণখেলাপির অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

মামলা দায়েরকৃত প্রতিষ্ঠান সোনানী ব্যাংকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ নভেম্বর ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর বিচারক সাদেকিন হাবিব বাপ্পি মামলাটি প্রত্যাহার আবেদন মঞ্জুর করেন।

মঙ্গলবার সোনালী ব্যাংকের প্যানেল আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ড্যান্ডি ডায়িং ব্যাংকের টাকা পরিশোধ করে দেওয়ায় আমরা সোনালী ব্যাংকের পক্ষে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করি। আদালত প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী মোস্তাক আহম্মেদ কয়েল বলেন, সোনালী ব্যাংকের পক্ষে তাদের আইনজীবী মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করেন। আদালত মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগে এ মামলা করা হয়।

মামলায় বিবাদী হিসেবে থাকা আরাফাত রহমান কোকা মারা যাওয়ায় ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক অংশীদারিত্ব মামলায় তার মা খালেদা জিয়া, স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে ২০১৫ সালের ৮ মার্চ আদালতে পক্ষভুক্তের আবেদন করে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোকসান আরা হ্যাপী এ মামলায় তাদের বিবাদী করেন।

২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ১৬ বিবাদির বিরুদ্ধে ইস্যু গঠন করেন আদালত।

মামলার বিবাদীরা হলেন-ড্যান্ডি ডায়িং লিমিটেড, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান, প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com