1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ডিও লেটার :পেকুয়ায় ২৭ গ্রামীণ সড়ক এইচবিবি ও ইউনিব্লকে উন্নীতের উদ্যোগ টেকনাফের বাহারছড়ায় ৫শ রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান জামায়াত নেতা মেজর আখতারুজ্জামান (অব.) গ্রেপ্তার এত সম্পদের উৎস কী? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর ফেসবুক পোস্ট বিএনপির বিতর্কিত নেতাকর্মীদের তালিকা হচ্ছে পবিত্র মসজিদে নববির বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা, সৌদি জোটের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান হুতিদের সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজদের জন্য তারেক রহমানের কঠোর বার্তা গুপ্ত বাহিনী’ ও ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার হাত মিলিয়ে দেশে অরাজকতার চেষ্টা চালাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী নিঝুমদ্বীপের মানুষকে ‘কুত্তা পাখি, ছাগল পাখি’ বলে পোস্ট, হান্নান মাসউদের স্ত্রীর বিরুদ্ধে বিএনপির বিক্ষোভ শুল্কমুক্ত মদ ‘অবৈধ গুদামে’, সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

কুলসুমার সঙ্গে বাসটার্মিনালের হোটেলে উঠেছিল যুবক, পরে মিললো মরদেহ

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ০১/১০/২০২৬ ১:০৫ পিএম

কক্সবাজার শহরের বাসটার্মিনাল এলাকার একটি আবাসিক হোটেলের কক্ষের ওয়াশরুম থেকে কুলসুমা আক্তার নামে এক নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই কক্ষে তার দুই বছরের শিশুও ছিল। তবে শিশুটি অক্ষত রয়েছে।

বুধবার রাত ৮টার দিকে বাসটার্মিনাল এলাকার স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্টের তৃতীয় তলার ৩০২ নম্বর কক্ষের ওয়াশরুম থেকে কুলসুমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এক অজ্ঞাত যুবক ও কুলসুমা আক্তার দুই বছরের শিশুসহ স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে ওই কক্ষে ওঠেন। হোটেলের রেজিস্টারে ঠিকানা দেওয়া হয় ঈদগাঁও উপজেলার ভাদিতলা।

পরদিন কক্ষ পরিষ্কার করতে গিয়ে ভেতর থেকে শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পান হোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মী। পরে ওয়াশরুমে গিয়ে কুলসুমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে বিষয়টি হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানান তিনি।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওয়াশরুম থেকে কুলসুমার মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তবে কক্ষটিতে কুলসুমার সঙ্গে থাকা যুবকটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

কুলসুমার সঙ্গে হোটেলে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে ওঠা যুবকটির পরিচয় নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। নিহতের পরিবারের দাবি, ওই যুবক কুলসুমার স্বামী হারুন নন। এমনকি পরিবারের সদস্যরাও তাকে চিনতে পারছেন না।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কুলসুমার স্বামী হারুনের সঙ্গে একটি মামলা চলমান রয়েছে। ওই মামলায় হাজিরা দিতে কক্সবাজার শহরে এসেছিলেন কুলসুমা।

এ বিষয়ে কক্সবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, কুলসুমার সঙ্গে হোটেলে থাকা যুবকটি তার স্বামী নন। তাকে শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।

নিহত কুলসুমা আক্তার ঈদগাঁও উপজেলার চান্দেরঘোনা এলাকার আলমের মেয়ে।

এদিকে হোটেলের কর্মচারীরা ওই যুবকের নাম আরফান বলে জানালেও, তার পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যুবকটি কুলসুমার পূর্বপরিচিত ছিলেন কি না, কিংবা কীভাবে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে একই কক্ষে উঠেছিলেন-এসব বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ ও রেজিস্টার পর্যালোচনা করে কুলসুমার সঙ্গে থাকা অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং তাকে আটক করার চেষ্টা চলছে।

ওই যুবককে শনাক্ত ও আটক করা গেলে কুলসুমার মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে বলে মনে করছেন নিহতের স্বজনেরা। সূত্র: টিটিএন

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com