1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
উখিয়ায় মাদক মামলার ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি আবুল কালাম গ্রেফতার টেকনাফে অস্ত্র-গুলিসহ রফিক বাহিনীর সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার টেকনাফে বিদেশি পিস্তল-গুলিসহ গ্রেফতার ৪ রামু-মরিচ্যা সড়কে ইজিবাইকের ধাক্কায় স্কুলছাত্রী নিহত, সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দুধ দিয়ে গোসল করে জামায়াতের সমর্থন ছাড়ার ঘোষণা, ভিডিও ভাইরাল ৭ দিনের রিমান্ডে চট্টগ্রামের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ ডেভিড ইমন কক্সবাজারে পর্যটন শিল্প ধ্বংসের পায়তারা চলছে – এমপি কাজল : উচ্ছেদ অভিযান বন্ধের দাবি তাঁর অন্ধ্র উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে কক্সবাজারে নকল ব্যান্ডরোলের সাড়ে ৪ লাখ সিগারেট জব্দ ইনানীতে ভূগর্ভস্থ গ্যাসের আগুন জ্বলতে পারে আরও ৭ দিন!

শত শত বাংলাদেশিকে ভারতে পাচার করে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করত এই ‘গুরু মাতা’

✍️ সীমান্ত শহর

প্রকাশিত: ১৭/১০/২০২৫ ১১:৩০ এএম

জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে গত ৩০ বছর ধরে ভারতে বসবাস করা এক বাংলাদেশি রূপান্তরকামী, যিনি ‘গুরু মাতা’ নামে পরিচিত, গ্রেফতার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) মুম্বাই পুলিশ তাকে আটক করে। অভিযুক্তের নাম বাবু আয়ান খান, ওরফে জ্যোতি। মুম্বাই পুলিশের দাবি, জ্যোতির সাহায্যে পাচার হয়ে ভারতে আসা বাংলাদেশির সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেফতারকৃত জ্যোতি মুম্বাইয়ের ট্রান্সজেন্ডারদের কাছে ‘গুরু মাতা’ নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি একজন আধ্যাত্মিক নারী হিসেবে নিজের ভাবমূর্তি গড়ে তুলেছিলেন এবং শহরের বিভিন্ন এলাকায় তার প্রায় ৩০০ অনুগামী ছড়িয়ে রয়েছে।

মুম্বাই পুলিশ জানায়, জ্যোতি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক দাবি করার জন্য জাল জন্ম সনদ, আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড তৈরি করেছিলেন। সম্প্রতি পুলিশের যাচাইয়ে এসব নথিপত্র জাল প্রমাণিত হয় এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘গুরু মাতা’র পাচারকারী নেটওয়ার্ক পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশিদের অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের সুযোগ করাত। ভারতে প্রবেশের পর তাদের কয়েকদিন কলকাতায় রাখা হতো, সেখানে জন্ম সনদ ও স্কুল ছাড়ার সার্টিফিকেট তৈরি করা হতো। এরপর তাদের মুম্বাইয়ের শিবাজি নগরে নিয়ে আসা হতো, প্রতি ঘরে ৩-৪ জন বাংলাদেশি থাকত এবং তারা ‘গুরু মাতা’-কে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা মাসিক ভাড়া দিত।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, পাচার করা বাংলাদেশিদের অনেককেই তিনি পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করেছিলেন।

মুম্বাই পুলিশ আরও জানায়, জ্যোতি MHADA অধীনে নিবন্ধিত ফ্ল্যাট দখলে জড়িত ছিলেন। তিনি ২০০টিরও বেশি বাড়ি দখল করেন এবং সেগুলো ভাড়া দিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করতেন।

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com