1. admin@shimantoshohor.com : সীমান্ত শহর : - shohor
  2. shimantoshohor@gmail.com : সীমান্ত শহর : Shimanto Shohor
শিরোনামঃ
তাবিজের কথা বলে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার মুছে ফেলেছিলেন আসল পরিচয়, একটি ভুলই তার ছদ্মবেশের অবসান ঘটে জিয়ার খুনি মোজাফফরের রাজাপালং ভেঙে হচ্ছে ‘উয়ালাপালং’ ইউনিয়ন, গণশুনানির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ একসঙ্গে মরার সিদ্ধান্ত নিয়ে যমুনায় ঝাঁপ দিলেন প্রেমিক, পালিয়ে গেলেন প্রেমিকা চকরিয়ার বন্যকবলিত এলাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী/ সরকার সবসময় জনগণের পাশে থাকবে নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ পেলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম অস্ত্রসহ আটকের পর যুবদল নেতা আয়াত উল্লাহ হুমাইনী বহিষ্কার ইষ্ট বেকারের জ্যাম-ফিল্ড ব্রেডে স্বাস্থ্যঝুঁকি, বিক্রি বন্ধের নির্দেশ অভিযানের তথ্য ফাঁস করায় সোর্সকে কারাদণ্ড জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনক্ষোভের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতি

ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিনের বিরুদ্ধে মাদক কারবার ও অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান দাবি

✍️ কক্সটিভি রিপোর্ট •

প্রকাশিত: ০৩/০২/২০২৬ ৬:৫৯ পিএম

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বানচাল করতে কোটি টাকার মিশন নিয়ে একটি শক্তিশালী চক্র মাঠে নেমেছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হচ্ছে, ওই চক্রের সদস্যরা আওয়ামী লীগ ও দলটির সহযোগী সংগঠনের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, এই গোপন চক্রের নেতৃত্বে রয়েছেন উখিয়া উপজেলার হলদিয়া পালং ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বোরহান উদ্দিন। তিনি পশ্চিম পাগলির বিল এলাকার বাসিন্দা ও আলী আহমদের পুত্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধির পরিচয়ের আড়ালে বোরহান উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা কারবারে জড়িয়ে পড়েন এবং অল্প সময়ের মধ্যেই কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যান।

সূত্র জানায়, গত ১৬ বছর ধরে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন বোরহান উদ্দিন। সে সময় এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে মাদক ব্যবসা বিস্তার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। যদিও ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার আগেও তিনি মাদক কারবারে জড়িত ছিলেন—এমন জনশ্রুতি দীর্ঘদিনের।

অভিযোগ রয়েছে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহুল আলোচিত ইয়াবা কারবারিদের তালিকাতেও বোরহান উদ্দিনের নাম রয়েছে। যদিও তার বিরুদ্ধে মাদক মামলার সংখ্যা তুলনামূলক কম, তবে একাধিক মামলার তথ্য পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৩ জুলাই ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানায় ডিবি পুলিশের অভিযানে একটি মিনি ট্রাকসহ ৭ হাজার ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় ঢাকা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের এসআই মোল্লা তৌহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে দায়ের করা মামলায় বোরহান উদ্দিনকে ৭ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মামলার অপর আসামিরাও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও পার্টনার বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত কথিত এনজিওকর্মী আরিয়ান মোহাম্মদ সাহার সঙ্গে মিলে একটি শক্তিশালী মাদক সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন বোরহান—এমন অভিযোগও উঠে এসেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মিয়ানমার থেকে ইয়াবা দেশে এনে প্রথমে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মজুদ করা হতো। পরে আরিয়ান সাহার নেতৃত্বে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সেগুলো দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হতো।

স্থানীয়দের দাবি, মাদক কারবার থেকে অর্জিত অর্থ দিয়ে বোরহান উদ্দিন পাগলির বিল এলাকায় প্রায় দুই কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বিলাসবহুল বাড়ি নির্মাণ করেছেন। এছাড়া রামুর এক বাসিন্দার কাছ থেকে প্রায় ১০ কানি জমি কেনেন, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। দৃশ্যমান কোনো বৈধ আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও এসব সম্পদের মালিক হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে মাদকবিরোধী সচেতন মহল বোরহান উদ্দিনের জ্ঞাতবহির্ভূত আয় ও সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে দুদকসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন। একই সঙ্গে নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে যৌথ বাহিনী জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান জোরদার করেছে। এসব অভিযানে দেশি-বিদেশি অবৈধ অস্ত্রসহ একাধিক সন্ত্রাসী ও অপরাধী চক্রের সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বোরহান উদ্দিন। তিনি বলেন,
রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। মাদক কারবারের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

সচেতন মহলের মতে, নির্বাচনকে ঘিরে উদ্ভূত পরিস্থিতি ও গুরুতর অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা এখন সময়ের দাবি।

তথ্য সূত্র : Coxtv

পোষ্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© 2025 Shimanto Shohor
Site Customized By NewsTech.Com